দুই মাস পর বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রফতানি শুরু করলো নেপাল
বন্যায় জলবিদ্যুৎকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় প্রায় দুই মাস বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশে আবারও বিদ্যুৎ রফতানি শুরু করেছে নেপাল। শুক্রবার ভারতের সঞ্চালন লাইন ব্যবহার করে বাংলাদেশে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়।
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বাবিউবো) চেয়ারম্যান রেজাউল করিম শুক্রবার বাসসকে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে মৌসুমি বিদ্যুৎ রফতানির জন্য নেপাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটি (এনইএ) ও বাবিউবোর মধ্যে ২০২৪ সালের ৩ অক্টোবর পাঁচ বছর মেয়াদি চুক্তি সই হয়।
এনইএর নির্বাহী পরিচালক দীর্ঘায়ু কুমার শ্রেষ্ঠ দ্য কাঠমান্ডু পোস্টকে বলেন, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সঞ্চালন অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পরও বিকল্প জলবিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে বিদ্যুৎ রফতানি অব্যাহত রাখা এবং বাংলাদেশে সরবরাহ পুনরায় শুরু করা নেপালের বিদ্যুৎ বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।
তিনি জানান, ভারতের কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ বিকল্প জলবিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদিত বিদ্যুৎ বাংলাদেশে সরবরাহের অনুমোদন দেওয়ার পর রফতানি কার্যক্রম আবার শুরু হয়েছে।
এর আগে, গত ২৬ আগস্ট ভোতেকোশি নদীতে ভয়াবহ বন্যায় নেপালের ত্রিশূলী ও চিলিমে জলবিদ্যুৎকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই দুটি কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহের অনুমোদন ছিল। কেন্দ্র দুটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রফতানি স্থগিত করা হয়।
পরবর্তী সময়ে সংশোধিত ব্যবস্থার আওতায় সোলু খোলা ও কাবেলি বি-১ জলবিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদিত বিদ্যুৎ বাংলাদেশে রফতানির অনুমোদন দেওয়া হয়।
২০২৪ সালের ৩ অক্টোবর সই হওয়া চুক্তি অনুযায়ী, প্রতি বছর ১৫ জুন থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে দৈনিক ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করে নেপাল।
বর্ষা মৌসুমে দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানোর পর উৎপাদিত উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ বাংলাদেশে রফতানি করে দেশটি।
বিভি/টিটি













মন্তব্য করুন: