• NEWS PORTAL

  • বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২ | ১৬ আষাঢ় ১৪২৯

পদ্মা সেতুতে বিনিয়োগে যারা বিরত ছিল তাদের শিক্ষা হয়েছে: চীনা রাষ্ট্রদূত

ফররুখ বাবু

প্রকাশিত: ১৫:৪০, ২০ জুন ২০২২

আপডেট: ১৬:১৪, ২০ জুন ২০২২

ফন্ট সাইজ
পদ্মা সেতুতে বিনিয়োগে যারা বিরত ছিল তাদের শিক্ষা হয়েছে: চীনা রাষ্ট্রদূত

বিশ্বব্যাংকের কথা উল্লেখ করে পদ্মা সেতুতে বিনিয়োগে যারা বিরত ছিল তাদের শিক্ষা হয়েছে বলে মনে করছে চীন। ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত লি জিমিং বলেন, শেখ হাসিনার ব্যক্তি উদ্যোগের কারণেই পদ্মা সেতু নির্মাণ সম্ভব হয়েছে। তিনি মনে করেন, পদ্মা সেতু বাংলাদেশের আর্থিক সক্ষমতার প্রতীক।  

দুর্নীতির অভিযোগে বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতুর অর্থায়ন বাতিলের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসী সিদ্ধান্তের বাস্তব রূপ পদ্মা সেতু বিশ্বের জন্যও গর্বের। ২৫ জুন স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন হতে যাচ্ছে। শত্রুর মুখে ছাই দিয়ে সেতুটি বিশ্ববাসীর কাছে বাংলাদেশের সক্ষমতার প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়েছে খরস্রোতা পদ্মার বুকে।  

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ় নেতৃত্ব ও চ্যালেঞ্জের কারণে সম্ভব হয়েছে পদ্মা সেতু- বলতে গর্ববোধ করছে ক্ষমতাধর চীনও। ঢাকায় নিযুক্ত চায়না দূতাবাসে সাংবাদিকদের সাথে পদ্মা সেতু ইস্যুতে এক স্বাক্ষাতে রাষ্ট্রদূত লি জামিং বলেন, বাংলাদেশ প্রমাণ করেছে তাদের সক্ষমতা। বাংলাদেশের অনুভূতি জানে চীনের মানুষ। 

পদ্মাসেতু নির্মাণের গৌরব শুধু বাংলাদেশের। সাধুবাদ জানাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। বাংলাদেশিদের মতোই আমরা আনন্দিত। কারণ এর নির্মাণে আমরাও অংশিদার। প্রেসিডেন্ট শি চিন পিং বার বার দুই দেশের সর্ম্পকের কথা বলে, তখনই পদ্মাসেতুর কথা বলে। এক সময় চীনের উহানে সেতু তৈরি করতে এমন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছিল। সেসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেই চায়না মেজর ব্রিজ নির্মাণ হয়। তাই চীনের থেকে বেশি কেউ এটা অনুভব করতে পারবে না। 

খরস্রোত ও তলদেশের রুক্ষ চরিত্রের কারণে পদ্মায় সেতু নির্মাণ ছিল চ্যালেঞ্জিং। নতুন ৩০টি টেকনোলজিতে পদ্মা সেতু নির্মাণ হয়েছে। চারদেশের ৫টি প্রতিষ্ঠান পদ্মা সেতুর টেন্ডারে অংশ নিয়ে আস্থার অভাবে সরে গেলেও এগিয়ে আসে চীন । 

চীন মনে করে, পদ্মা সেতুর জন্য বাংলাদেশের ৫০ শতাংশ মানুষ সরাসরি লাভবান হবে। বিশ্বের এবং আঞ্চলিক যোগাযোগে আসবে যুগান্তকারী পরিবর্তন।  

দুর্ভাগ্যজনকভাবে পদ্মা সেতুর অর্থায়ন নিয়ে গুজব ছড়ানো হয়েছে। আমি ষড়যন্ত্রের কথা বলবোনা, শুধু বলবো অর্থায়নে অনেকের বিশ্বাস ছিলনা। তাদের ধারণা ছিল, বাংলাদেশ এই অর্থ পরিশোধ করতে পারবে না। কিন্তু চীন বাংলাদেশের জনগণ এবং সরকারের প্রতি বিশ্বাস রেখেছিল। আমার সন্দেহ আছে, শেখ হাসিনা যেভাবে পেরেছে, অন্য দেশের কোনো নেতা এভাবে সাহস করতে পারতেন কিনা।

চীনের রাষ্ট্রদূত বলেন, কেউ কেউ বাংলাদেশের সক্ষমতা দেখে খুশি নয়। সেজন্য বাংলাদেশকে সতর্ক থাকার পরামর্শ তার।  

 

বিভি/রিসি

মন্তব্য করুন: