• NEWS PORTAL

  • বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

দাগনভূঞায় থানা ঘেরাও করে ওসি-এসআইকে প্রত্যাহারের দাবি জামায়াতের

ফেনী প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০১:২৩, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ফন্ট সাইজ
দাগনভূঞায় থানা ঘেরাও করে ওসি-এসআইকে প্রত্যাহারের দাবি জামায়াতের

ফেনীর দাগনভূঞায় পুলিশের একটি অভিযানকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও এক উপ-পরিদর্শককে (এসআই) প্রত্যাহারের দাবিতে থানা ঘেরাও করেছেন জামায়াতের নেতা-কর্মীরা। 

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে তারা দাগনভূঞা থানার সামনে অবস্থান নেন।

এর আগে সন্ধ্যায় দাগনভূঞা পৌরসভার পাকিস্তান বাজারের আমান উল্লাহপুর এলাকায় পুলিশের একটি তল্লাশি অভিযানের সময় জামায়াতের নেতা-কর্মীরা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সোনাগাজী–দাগনভূঞা সার্কেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সৈয়দ মুমিদ রায়হান জামায়াত নেতাদের সঙ্গে কথা বলেন। একই সঙ্গে নির্বাচনি দায়িত্ব পালনের জন্য থানায় একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অ্যাডিশনাল এসপি) সংযুক্ত করার কথা জানানো হয়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, জামায়াত নেতা ও শিক্ষক আবদুর রহীমের বাড়িতে সন্ধ্যায় হঠাৎ তল্লাশি চালায় পুলিশের একটি দল।

এ বিষয়ে জামায়াত প্রার্থী ফখরুদ্দিন মানিক বলেন, “একজন অবসরপ্রাপ্ত সম্মানিত শিক্ষকের বাসায় বিনা নোটিশে অভিযান চালানো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এর মাধ্যমে ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টির অপচেষ্টা হয়েছে। দাগনভূঞা উপজেলা বিএনপির দুই নেতাকে সঙ্গে নিয়ে পুলিশ কীভাবে এমন অভিযান চালায়, তা প্রশ্নবিদ্ধ। আমরা এসআই বলরাম ও ওসি আজিমের প্রত্যাহার দাবি করছি।”

অন্যদিকে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আকবর হোসেন অভিযোগ করে বলেন, ভোটের আগমুহূর্তে জামায়াত নেতারা থানাঘেরাও করে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছেন। তিনি দাবি করেন, কেউ যেন আইন নিজের হাতে তুলে না নেয় এবং নির্বাচন বানচালের কোনো অপচেষ্টা সফল হবে না।

অভিযোগের বিষয়ে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সৈয়দ মুমিদ রায়হান বলেন, “বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওই বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এটি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। এ জন্য আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি। আপাতত নির্বাচনি দায়িত্ব পালনে চাঁদপুর থেকে একজন অ্যাডিশনাল এসপি দায়িত্বে থাকবেন।”

বিভি/টিটি

মন্তব্য করুন: