নেতার সঙ্গে সহযাত্রীর আলিঙ্গন, দূরত্ব নেই, আছে হৃদয়ের টান
ছবি- সংগৃহীত
হৃদয়ের টান যে ক্ষমতার দূরত্বের অনেক ঊর্ধ্বে তারই এক নজির দেখালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পবিত্র ঈদুল ফিতরের খুশির দিনেই আলিঙ্গন করে নিলেন সহযাত্রীকে। আর ওই দৃশ্য রূপ নিলো এক অটুট বন্ধনে।
ঈদের দিন মানেই দূরত্ব ঘুচে যাওয়ার দিন। ঈদের দিন মানেই হৃদয়ের দরজা খুলে দেওয়া, আলিঙ্গনে মিলিয়ে দেওয়া সব আনুষ্ঠানিকতা। সেই আবহেই এক অনন্য মুহূর্ত ধরা পড়লো ফ্রেমে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং তার সহযাত্রী ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনের কোলাকুলির দৃশ্য, নিছক একটি ছবি নয়, বরং এক গভীর সম্পর্কের ভাষ্য। এখানে ক্ষমতার দূরত্ব নেই, আছে হৃদয়ের টান। মুখের হাসিতে স্পষ্ট হয়ে ওঠে নির্ভরতার নিশ্চয়তা, আর আলিঙ্গনে মিশে থাকে দীর্ঘ পথচলার অদৃশ্য ইতিহাস।
প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি-১ জাহিদুল ইসলাম রনি এবং ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি সুজন মাহমুদ যখন ছবিটি সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেছেন। ওই নির্মল ছবিটির ক্যাপশনে তারা লিখেছেন, নির্মল ভালোবাসা, আস্থা, বিশ্বাস এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও স্নেহের অকৃত্রিম সম্পর্ক...! প্রিয় নেতা ও নিষ্ঠাবান কর্মী– দু’জনের জন্যেই নিরন্তর শুভকামনা অফুরান...!
এই একটি বাক্য যেন ছবিটির নীরব ব্যাখ্যা। ছবিটি মুহূর্তেই লুফে নিয়েছেন নেটিজেনরা। মন্তব্যের ঘরেও ছড়িয়ে পড়ে শুভকামনার ঢেউ। কেউ মহান আল্লাহর দরবারে সবার সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সফলতা কামনা করেন। কেউবা ভালোবাসার ভাষায় বলেন—এ বন্ধন অটুট থাকুক আমৃত্যু। আবার কারও চোখে এটি হয়ে ওঠে এক বিশ্বাসের প্রতিচ্ছবি।
রাজনীতির কঠোর কাঠামোর ভেতরে এমন দৃশ্য সচরাচর চোখে পড়ে না। তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একে একে নতুন নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন। কখনো নিরাপত্তারক্ষীকে কাছে ডেকে নিচ্ছেন। কখনো ট্রাফিকের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাকে বুকে টেনে নিচ্ছেন।
ঈদের দিন এই ছবিতে শুধু উৎসব নয়, ধরা পড়ে এক বিশ্বাসের গল্প—একজন নেতার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা এক নিষ্ঠাবান সহযাত্রীর গল্প। সময়ের স্রোতে যে সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে, আরও নির্ভরতার হয়ে উঠেছে।
বিভি/এজেড



মন্তব্য করুন: