যাত্রীবাহী বাস নদীতে পড়ার ঘটনায় বিএনপি মহাসচিবের শোক
ছবি: সংগৃহীত
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে দৌলতদিয়া ঘাট থেকে ফেরিতে ওঠার সময় অর্ধশত যাত্রী নিয়ে সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে তলিয়ে গেছে। এ সময় পাঁচ থেকে সাতজন যাত্রী পাড়ে উঠতে সক্ষম হলেও বাকী যাত্রীদের এখনো কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
এ ছাড়া, এখন পর্যন্ত দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার পরপরই উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা ঘটনাস্থলে আসলেও বৃষ্টির কারণে উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হচ্ছে।
মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় বুধবার (২৫ মার্চ) রাতে বিএনপির সহদপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক পত্রে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় অর্ধশত যাত্রী নিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়া এবং এখনো পর্যন্ত অধিকাংশ যাত্রীর কোনো হদিস না পাওয়ায় দেশব্যাপী জনমনে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার সৃষ্টি হয়েছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় অসংখ্য হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে। বহুদিন ধরেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও অমনোযোগিতার কারণে জীবনহানি ঘটেই যাচ্ছে। এসব দুর্ঘটনার বিষয়ে পূর্ব থেকে সজাগ ও সতর্ক থাকলে প্রাণহানিসহ ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো যেতো। নদীতে পড়ে যাওয়া যাত্রীদের উদ্ধারকাজ অতিদ্রুত গতিতে সম্পন্ন করার জন্য আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। তদন্ত কমিটি গঠন করে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের খুঁজে বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ। প্রাণহানিসহ ক্ষতিগ্রস্ত ভুক্তভোগীদের পরিবার-পরিজনদের প্রতি জানাচ্ছি গভীর সহমর্মিতা।
এ দুর্ঘটনায় যারা মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের প্রতি গভীর শোক প্রকাশসহ তাদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। তাদের পরিবার-পরিজনদের প্রতি জানাচ্ছি গভীর সমবেদনা।
প্রসংঙ্গত, বুধবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে দৌলতদিয়ার ৩ নম্বর ফেরিঘাটে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এ ঘটনায় ২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং ১১ জন সাঁতরে পাড়ে উঠতে পেরেছে বলে জানা গেছে। বাসে অন্তত ৪৫ জন যাত্রী ছি বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
বিভি/এআই



মন্তব্য করুন: