• NEWS PORTAL

  • মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

অচেনা কানাডার বিপক্ষে নামার আগে সতর্ক প্রোটিয়ারা

প্রকাশিত: ১৭:১৬, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ফন্ট সাইজ
অচেনা কানাডার বিপক্ষে নামার আগে সতর্ক প্রোটিয়ারা

চলমান টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সহযোগী দেশগুলোর পারফরম্যান্স বেশ চোখে পড়ার মতো। বড় দলগুলোর বিপক্ষে তাদের সাহসী ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেট নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে সবাইকে। এমন বাস্তবতায় বিশ্বকাপ অভিযান শুরুর আগে কানাডার বিপক্ষে ম্যাচটিকে মোটেও হালকাভাবে নিচ্ছে না দক্ষিণ আফ্রিকা। অধিনায়ক এইডেন মারক্রাম স্পষ্ট করেই জানিয়েছেন, এই ম্যাচে চ্যালেঞ্জ দেখছেন তিনি।

সবশেষ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ফাইনাল খেলেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। যদিও ভারতের কাছে হেরে শিরোপার স্বপ্ন ভেঙে যায় তাদের। এরপর টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ জিতে দলটি নতুন করে আত্মবিশ্বাস অর্জন করেছে। তবে মারক্রামের মতে, এই সাফল্য বিশ্বকাপে কিছুটা বাড়তি আত্মবিশ্বাস দিলেও মাঠে সেরা ক্রিকেট খেলতে না পারলে কিছুই সহজ হবে না।

দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক বলেন, টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের ফলে দলের মধ্যে বিশ্বাস ও আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়েছে ঠিকই, কিন্তু শুধু সেটার ওপর ভর করে বিশ্বকাপে সবকিছু সহজ হয়ে যাবে—এমন ভাবার কোনো সুযোগ নেই। প্রতিটি ম্যাচেই নিজেদের সেরা ক্রিকেট খেলতে হবে।

কানাডার বিপক্ষে আগে কখনো টি–টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেনি দক্ষিণ আফ্রিকা। ২০০৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে দুই দল মুখোমুখি হলেও বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই দলটি প্রোটিয়াদের কাছে প্রায় অচেনাই। আর এই অচেনা প্রতিপক্ষই বাড়তি সতর্কতার কারণ বলে মনে করছেন মারক্রাম।

তিনি বলেন, “আমরা তাদের বিপক্ষে আগে খেলিনি। সামনে কী ধরনের চ্যালেঞ্জ আসতে পারে, সে বিষয়ে পুরোপুরি নিশ্চিত নই। আর এই অনিশ্চয়তাই ম্যাচটিকে আলাদা করে কঠিন করে তোলে।”

তবে প্রতিপক্ষ সম্পর্কে কম জানা থাকলেও কানাডাকে খাটো করে দেখার কোনো মানসিকতা নেই দক্ষিণ আফ্রিকার শিবিরে। বরং নিজেদের পরিকল্পনা সঠিকভাবে বাস্তবায়নের দিকেই বেশি মনোযোগ দিতে চান মারক্রাম।

তার ভাষায়, নিয়মিত যেসব দলের বিপক্ষে খেলা হয়, তাদের শক্তি–দুর্বলতা ও কৌশল সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা থাকে। কিন্তু এই ম্যাচে সেসব নিয়ে বেশি না ভেবে নিজেদের সামর্থ্য, পরিকল্পনা এবং মাঠে তার কার্যকর প্রয়োগেই জোর দিতে চান তিনি। সেটি করতে পারলে জয়ের সম্ভাবনা ভালো থাকবে বলেও বিশ্বাস করেন প্রোটিয়া অধিনায়ক।

বিশ্বকাপের সাম্প্রতিক ম্যাচগুলো সহযোগী দলগুলোর সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছে। নেদারল্যান্ডস পাকিস্তানের বিপক্ষে দারুণ লড়াই করেছে, যুক্তরাষ্ট্র ভারতকে ফেলেছিল কঠিন পরীক্ষায়। এমনকি নেপালও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ম্যাচে ছিল।

এসব উদাহরণ টেনে মারক্রাম বলেন, সহযোগী দেশ ও শীর্ষ দলগুলোর মধ্যকার ব্যবধান এখন অনেকটাই কমে এসেছে। টি–টোয়েন্টি ক্রিকেটে এক বা দুইজন খেলোয়াড়ের ভালো দিনই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। বিশ্বকাপের শুরুতেই দেখা পাওয়া রোমাঞ্চকর লড়াইগুলো এই বাস্তবতাকেই আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।

বিভি/পিএইচ

মন্তব্য করুন: