গোলখরায় ভুগছে স্ট্রাইকাররা, প্রবাসীদের পারফরম্যান্সে উঠছে প্রশ্ন
রোনান সুলিভান অভিষেক ম্যাচেই যে মানের গোল করেছেন, তা দেখে ফুটবলপ্রেমীদের অনেকেই বিস্মিত
জাতীয় দলের আক্রমণভাগ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে, স্ট্রাইকার হিসেবে খেলা রাকিব, ফাহিম ও জনি—এই তিনজন মিলে সর্বশেষ ১০০ ম্যাচে করেছেন মাত্র ৮টি গোল।
রাকিব হোসেন: ৫০ ম্যাচে ৬ গোল
ফয়সাল আহমেদ ফাহিম: ৩০ ম্যাচে ১ গোল
মজিবুর রহমান জনি: ২০ ম্যাচে ১ গোল
অন্যদিকে, প্রবাসী খেলোয়াড় রোনান সুলিভান অভিষেক ম্যাচেই যে মানের গোল করেছেন, তা দেখে ফুটবলপ্রেমীদের অনেকেই বিস্মিত। এমন সুযোগ দেশীয় স্ট্রাইকাররা বহুবার পেলেও তা কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়েছেন—এমন অভিযোগও শোনা যাচ্ছে।
শুধু তাই নয়, ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসেবে খেলা হামজা চৌধুরীও গোলসংখ্যায় এগিয়ে। মাত্র ৫ ম্যাচে তার গোল ৬টি—যা একজন মিডফিল্ডারের জন্য অসাধারণ, কিন্তু একই সঙ্গে দেশের স্ট্রাইকারদের পারফরম্যান্সকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
এই প্রেক্ষাপটে অনেকের প্রশ্ন—যদি একজন মিডফিল্ডার স্ট্রাইকারদের চেয়েও বেশি কার্যকর হন, তাহলে বর্তমান স্ট্রাইকারদের দলে রাখার যৌক্তিকতা কোথায়?
আরও একটি বিষয় আলোচনায় এসেছে—প্রবাসী ও মানসম্পন্ন খেলোয়াড়দের দলে নেওয়ার প্রসঙ্গ উঠলেই কোচিং স্টাফ ও বাফুফের সংশ্লিষ্টদের নানা অজুহাত সামনে আসে বলে অভিযোগ রয়েছে।
সব মিলিয়ে জাতীয় দলের আক্রমণভাগে পরিবর্তন আনা এবং যোগ্য খেলোয়াড়দের সুযোগ দেওয়ার দাবি এখন আরও জোরালো হয়ে উঠছে।



মন্তব্য করুন: