• NEWS PORTAL

  • রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’: নামের অর্থ কী, আঘাত হানতে পারে কোথায়?

প্রকাশিত: ২০:২২, ১ নভেম্বর ২০২৬

আপডেট: ২০:২৩, ১ নভেম্বর ২০২৬

ফন্ট সাইজ
ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’: নামের অর্থ কী, আঘাত হানতে পারে কোথায়?

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে। ‘মুরাসু’ নামের এই ঘূর্ণিঝড় নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশা উপকূলে। আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঝড়টি আরও শক্তিশালী হয়ে দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আঘাত হানতে পারে। এদিকে ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় প্রস্তুতি শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলোর প্রশাসন।

ঘূর্ণিঝড়টির নাম ‘মুরাসু’। তামিল ভাষার এই শব্দের অর্থ ড্রাম বা রণঢাকজাতীয় বাদ্যযন্ত্র। প্রাচীনকালে এ ধরনের বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে যুদ্ধের ঘোষণা, দুর্যোগের সতর্কবার্তা এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বার্তা জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া হতো। ঘূর্ণিঝড়টির নামকরণ করেছে ভারত।

সঙ্গম সাহিত্য ও ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, মুরাসু মূলত তিন ধরনের। এর মধ্যে ‘বীরা মুরাসু’ ব্যবহার করা হতো যুদ্ধের ঘোষণা দিতে। ‘ত্যাগা মুরাসু’ বাজানো হতো দরিদ্রদের খাদ্য ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী দেওয়ার আহ্বান জানাতে। আর ‘ন্যায় মুরাসু’ ব্যবহৃত হতো বিচারকার্য পরিচালনা ও জনগণের অভিযোগ শোনার ক্ষেত্রে।

কোথায় আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড়টি?
ভারতের আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি) সর্বশেষ বুলেটিনে জানিয়েছে, ১ নভেম্বর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঘূর্ণিঝড়টি দক্ষিণ-পশ্চিম ও সংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছিল।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ২ নভেম্বর সকালের মধ্যে পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে আরও শক্তিশালী হয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে।

এরপর উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ২ নভেম্বর রাত থেকে ৩ নভেম্বর ভোরের মধ্যে ভারতের নেল্লোর ও নরসাপুরের মধ্যবর্তী এলাকা দিয়ে দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল অতিক্রম করার আশঙ্কা রয়েছে।

এ সময় ঘূর্ণিঝড়টির বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১০০ থেকে ১১০ কিলোমিটার হতে পারে। দমকা হাওয়ার গতিবেগ ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছানোর আশঙ্কা রয়েছে।

ওড়িশা ও অন্ধ্রপ্রদেশে প্রস্তুতি
ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় ওড়িশায় প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। এরইমধ্যে জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ)সহ বিভিন্ন বাহিনীকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশের প্রশাসনও প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিচ্ছে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ২ নভেম্বর থেকে ওড়িশায় বৃষ্টিপাত শুরু হতে পারে। ৩ ও ৪ নভেম্বর বৃষ্টির তীব্রতা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

বিভি/টিটি

মন্তব্য করুন:

সর্বাধিক পঠিত