• NEWS PORTAL

  • রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬

নতুন কাঠামোয় বেতন পেতে শুরু করেছেন সরকারি চাকরিজীবীরা 

প্রকাশিত: ১৬:২৪, ১ নভেম্বর ২০২৬

ফন্ট সাইজ
নতুন কাঠামোয় বেতন পেতে শুরু করেছেন সরকারি চাকরিজীবীরা 

প্রতীকী ছবি

নতুন জাতীয় বেতনকাঠামোয় বেতন পেতে শুরু করেছেন সরকারি চাকরিজীবীরা। কারও ব্যাংক হিসাবে জমা হয়েছে বর্ধিত বেতন ও তিন মাসের বকেয়া, আবার কারও অপেক্ষা কাটেনি বেতন নির্ধারণের জটিলতায়। সব মিলিয়ে প্রায় এক লাখ কর্মকর্তা-কর্মচারী এখনও নতুন কাঠামোর বেতন পাননি।

রবিবার (১ নভেম্বর) সকাল থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের অধিকাংশের ব্যাংক হিসাবে অক্টোবর মাসের বেতন জমা হতে শুরু করে। এর সঙ্গে জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর—এই তিন মাসের বর্ধিত বেতনের বকেয়া অর্থও পেয়েছেন অনেকে।

অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, নতুন কাঠামোর আওতায় প্রায় ১৪ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, আট লাখ পেনশনভোগী এবং ছয় লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক বর্ধিত আর্থিক সুবিধা পাওয়ার কথা। অধিকাংশের হিসাবে অর্থ জমা হলেও পে ফিক্সেশন বা বেতন নির্ধারণ প্রক্রিয়া শেষ না হওয়ায় প্রায় এক লাখ কর্মচারীর বেতন আটকে আছে। সংশ্লিষ্টদের আশা, আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে তাদের বেতন দেওয়া সম্ভব হবে।

এদিকে নতুন কাঠামো বাস্তবায়নের শুরুতেই জ্যেষ্ঠতা, গ্রেড নির্ধারণ ও বাড়িভাড়া ভাতা নিয়ে অসংগতির অভিযোগ উঠেছে। কয়েকটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মচারীরা এসব সমস্যা সমাধানের দাবিতে অর্থসচিবের কাছে আবেদন করেছেন। তাদের অভিযোগ, কোথাও জ্যেষ্ঠতার ধারাবাহিকতা ব্যাহত হয়েছে, আবার কোথাও গ্রেড ও ভাতার হিসাবেও বৈষম্য তৈরি হয়েছে। এতে পদোন্নতির পরও কারও কারও মোট আয় কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

গত ১৭ সেপ্টেম্বর নতুন বেতনকাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। এতে বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল রেখে মূল বেতন সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়। গত ১ জুলাই থেকে এটি কার্যকর ধরা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা বর্ধিত মূল বেতনের ৪০ শতাংশ এবং দশম থেকে বিংশ গ্রেডের কর্মীরা ৫০ শতাংশ পাবেন। ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে জুনে তা বেড়ে ৭৫ শতাংশ হবে। শতভাগ সুবিধা কার্যকর হওয়ার কথা ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে। সংশোধিত ভাতার হার কার্যকর হবে ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে।

বিভি/এমআর

মন্তব্য করুন:

সর্বাধিক পঠিত