• NEWS PORTAL

  • বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশে থাইরয়েডে ভুগছে ৪ কোটি মানুষ, আপনি আক্রান্ত কি না-বুঝবেন যেভাবে

প্রকাশিত: ০১:২৩, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আপডেট: ০১:২৩, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফন্ট সাইজ
দেশে থাইরয়েডে ভুগছে ৪ কোটি মানুষ, আপনি আক্রান্ত কি না-বুঝবেন যেভাবে

বাংলাদেশে বিপুল সংখ্যক মানুষ থাইরয়েডজনিত রোগে আক্রান্ত হলেও তাদের বড় একটি অংশই রয়ে গেছেন প্রয়োজনীয় চিকিৎসার বাইরে। তথ্যমতে, দেশে বর্তমানে প্রায় ৪ কোটি মানুষ থাইরয়েডের নানা সমস্যায় ভুগছেন, যার মধ্যে ৬০ শতাংশ মানুষই তাদের এই শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে অসচেতন বা কোনো প্রকার চিকিৎসার আওতায় নেই।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, জীবনের নির্দিষ্ট কিছু গুরুত্বপূর্ণ সময়ে থাইরয়েড হরমোন পরীক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে বয়ঃসন্ধিকালে, নারীদের গর্ভধারণের আগে, সন্তান প্রসূতির পর এবং ৪০ বছর পার হওয়ার পর থাইরয়েড পরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

যে লক্ষণগুলো দেখলেই সতর্ক হতে হবেন-

ওজনের আকস্মিক পরিবর্তন: খাদ্যাভ্যাস একই থাকা সত্ত্বেও হঠাৎ ওজন বেড়ে যাওয়া হাইপোথাইরয়েডিজমের (স্বল্প-সক্রিয় থাইরয়েড) লক্ষণ হতে পারে। বিপরীতভাবে, স্বাভাবিক বা বেশি খাওয়ার পরও দ্রুত ওজন কমে যাওয়া হাইপারথাইরয়েডিজমের (অতি-সক্রিয় থাইরয়েড) ইঙ্গিত দেয়।

অনবরত ক্লান্তি ও মেজাজ পরিবর্তন: পর্যাপ্ত ঘুমের পরও নিস্তেজ লাগা, মনোযোগের অভাব বা মনমরা ভাব কম হরমোন নিঃসৃত হওয়ার লক্ষণ। অন্যদিকে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা, খিটখিটে মেজাজ ও ঘুমের সমস্যা হরমোনের আধিক্য প্রকাশ করে।

তাপমাত্রায় অস্বাভাবিক সংবেদনশীলতা: অন্যদের স্বাভাবিক মনে হলেও অতিরিক্ত ঠান্ডা লাগা কিংবা সামান্যতেই বুক ধড়ফড় করে ঘেমে যাওয়ার প্রবণতা থাইরয়েডের অসঙ্গতি নির্দেশ করে।

হৃদস্পন্দনের তারতম্য: হরমোনের তারতম্যের কারণে হৃদস্পন্দন অতিরিক্ত ধীর বা দ্রুত হতে পারে, যা থেকে বুক ধড়ফড় করা ও মাথা ঘোরার মতো উপসর্গ দেখা দেয়।

 ত্বক, চুল ও হজমে প্রভাব: চুল ও ভ্রু পাতলা হয়ে যাওয়া, শুষ্ক ত্বক কিংবা হঠাৎ কোষ্ঠকাঠিন্য বা ঘন ঘন মলত্যাগের মতো সমস্যা থাইরয়েড হরমোনের অনিয়মিত নিয়ন্ত্রণের কারণে হতে পারে।

মাসিক চক্রের পরিবর্তন: নারীদের ক্ষেত্রে থাইরয়েডের সমস্যার কারণে মাসিকের সময় অতিরিক্ত রক্তপাত বা অনিয়মিত ঋতুস্রাব দেখা দিতে পারে।

চিকিৎসকদের মতে, এসব লক্ষণ দেখা দিলে ফেলে না রেখে দ্রুত হরমোন বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া এবং থাইরয়েড হরমোন পরীক্ষা করানো উচিত। সচেতনতা বৃদ্ধি ও প্রাথমিক পর্যায়েই রোগ নির্ণয় সম্ভব হলে সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে এ সমস্যা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

বিভি/টিটি

মন্তব্য করুন: