• NEWS PORTAL

  • বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নতুন ইসলামী রাষ্ট্র গঠনের ঘোষণা, বিশ্বজুড়ে হইচই!

প্রকাশিত: ১৫:০৬, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফন্ট সাইজ
নতুন ইসলামী রাষ্ট্র গঠনের ঘোষণা, বিশ্বজুড়ে হইচই!

থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলের দীর্ঘদিনের সংঘাত নতুন করে আলোচনায় এসেছে। দেশটির মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দক্ষিণাঞ্চলে স্বাধীন ইসলামিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে প্রধান মালয়-মুসলিম বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী বারিসান রেভোলুসি ন্যাশনাল (বিআরএন)।

সম্প্রতি মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন বিআরএনের শান্তি আলোচনাবিষয়ক প্রতিনিধি দলের মুখপাত্র নিকমাতুল্লাহ সেরি। তিনি বলেন, লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত তাদের সংগ্রাম চলবে।

ঐতিহাসিকভাবে থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চল মালয়-মুসলিম অধ্যুষিত। অঞ্চলটি একসময় পাতানি সালতানাতের অংশ ছিল। ১৯০০-এর দশকের শুরুতে তৎকালীন সিয়াম রাজ্যের সঙ্গে এর রাজনৈতিক সংযুক্তি ঘটে।

১৯৬০-এর দশক থেকেই স্থানীয় মালয় মুসলিমদের একটি অংশ ভাষা, সংস্কৃতি, ধর্মীয় পরিচয় ও রাজনৈতিক অধিকারের প্রশ্নে অধিক স্বায়ত্তশাসনের দাবি জানিয়ে আসছে। ২০০৪ সালে সংঘাত নতুন করে তীব্র আকার ধারণ করে। ডিপ সাউথ ওয়াচের তথ্য অনুযায়ী, ওই সময় থেকে সহিংসতায় ৭ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।

২০১৩ সাল থেকে মালয়েশিয়ার মধ্যস্থতায় থাই সরকার ও বিআরএনের মধ্যে শান্তি আলোচনা চলছে। তবে বিভিন্ন সময়ে আলোচনা থমকে গেছে। গত জুলাইয়ে পাঁচ সেনা নিহত হওয়ার একটি হামলার পর ব্যাংকক আলোচনা স্থগিত করে।

এদিকে নিকমাতুল্লাহ সাম্প্রতিক সহিংসতায় বিআরএনের জড়িত থাকার কথা নিশ্চিত বা অস্বীকার করেননি। তবে তিনি বলেন, সংগঠনটি দক্ষিণাঞ্চলে রাজনৈতিক ক্ষমতা চায় এবং ব্যাংকের সঙ্গে ক্ষমতা ভাগাভাগির একটি কাঠামোর প্রস্তাব দিয়েছে।

বিআরএনের প্রস্তাব অনুযায়ী, পাঁচ থেকে ১০ বছরের একটি অন্তর্বর্তী সময়ে সংগঠনটি অঞ্চল পরিচালনা করতে চায়। এ সময় মুসলিমদের জন্য শরিয়াহভিত্তিক পুলিশ ও আদালত ব্যবস্থা চালুর কথা বলা হয়েছে। এরপর জনগণ গণতান্ত্রিকভাবে ভবিষ্যৎ শাসনব্যবস্থা নির্ধারণ করবে বলে জানান তিনি।

দক্ষিণাঞ্চলের পরিস্থিতিতে মালয়েশিয়ারও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সীমান্তবর্তী অঞ্চল হওয়ায় থাইল্যান্ডের এই সংঘাতের প্রভাব মালয়েশিয়ার উত্তরাঞ্চলেও পড়ে। তবে থাই সরকার বলছে, রাজনৈতিক সংলাপের মাধ্যমে সংঘাতের সমাধান সম্ভব হলেও দেশের সার্বভৌমত্ব ও সাংবিধানিক কাঠামোর বাইরে কোনো সমাধান গ্রহণযোগ্য নয়। সূত্র: এএফপি

বিভি/এজেড

মন্তব্য করুন: