• NEWS PORTAL

  • শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দুই শিশুর খেলাধুলার বিরোধে অপর শিশুর আঙুল কাটার অভিযোগ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে

নাটোর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২২:১৭, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আপডেট: ২২:১৮, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফন্ট সাইজ
দুই শিশুর খেলাধুলার বিরোধে অপর শিশুর আঙুল কাটার অভিযোগ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে

ফাইল ছবি

নাটোরে শিশুদের মধ্যে খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে আট বছর বয়সী এক শিশুর ডান হাতের আঙুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশ কনস্টেবল শাকিলের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত শাকিল নাটোর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে কর্মরত এবং ওই শিশুর পরিবারের বাসায় ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকেন।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে শহরের বড় হরিশ পশ্চিম চেয়ারম্যান পাড় এলাকায় এঘটনা ঘটে। 

আহত শিশুটির বাবা মোঃ মাহমুদুল হাসান মিলন ঢাকার জনতা ব্যাংকের লোকাল ব্রাঞ্চের সিনিয়র অফিসার।

শিশুটির বাবা মাহমুদুল নয়া দিগন্তকে বলেন, বুধবার সন্ধ্যায় তার স্ত্রী ভাড়াটিয়া পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বাসায় পিকনিকের আয়োজন করেন। এ সময় দুই শিশু খেলাধুলা করার একপর্যায়ে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। পরে উভয় শিশুর মা বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে মীমাংসা করে দেন।

তার অভিযোগ, পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশ কনস্টেবল শাকিল তার ছেলেকে ডেকে নিজের কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে তার স্ত্রীও উপস্থিত ছিলেন। একপর্যায়ে ছুরি দিয়ে শিশুটির ডান হাতের আঙুল কেটে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
 
মাহমুদুল হাসান বলেন, আমার অবুঝ শিশুর প্রতি এমন অমানবিক আচরণ একজন বাবা হিসেবে মেনে নিতে পারছি না। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

পরে গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে নাটোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
 
শিশুটির পরিবারের আরও অভিযোগ, আঙুল কাটার ঘটনার পর ওই কনস্টেবল শিশুটির বিরুদ্ধে নাটোর পুলিশ সুপারের কাছে ধর্ষণের মিথ্যা অভিযোগ করেছেন। এই অবুঝ শিশুর মধ্যে কি সেই ঘটনার ধারনা থাকতে পারে?।  এ ঘটনায় শিশুটির পরিবারে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
 
অভিযোগের বিষয়ে জানতে পুলিশ কনস্টেবল শাকিলের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

নাটোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইফতে খায়ের আলম বলেন, বিষয়টি আমরা জেনেছি। অভিযোগের সত্যতা ও ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে। প্রকৃত রহস্য কী, তা উদ্‌ঘাটনের চেষ্টা করছি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিভি/এআই

মন্তব্য করুন:

সর্বাধিক পঠিত