• NEWS PORTAL

  • রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬

পদ্মার ভয়াবহ ভাঙনে আবারও অনিশ্চয়তার মুখে নড়িয়ার সুরেশ্বর এলাকা

শরীয়তপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১০:২০, ৪ অক্টোবর ২০২৬

ফন্ট সাইজ
পদ্মার ভয়াবহ ভাঙনে আবারও অনিশ্চয়তার মুখে নড়িয়ার সুরেশ্বর এলাকা

ছবি: সংগৃহীত

পদ্মার ভয়াবহ ভাঙনে আবারও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে শরীয়তপুরের নড়িয়ার সুরেশ্বর এলাকা। এরইমধ্যে তীররক্ষা বাঁধের প্রায় ১০০ মিটার ধসে গেছে। এর জন্য পলাতক সাবেক পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামিমের দুর্নীতি, কমিশন বাণিজ্য আর অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকে দায়ী করছেন স্থানীয়রা। 

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় সংসদ সদস্য শফিকুর রহমান কিরণের নির্দেশে জরুরি ভিত্তিতে চলছে জিও ব্যাগ ডাম্পিং। 

পদ্মার ভাঙনে এভাবেই বিলীন হচ্ছে শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বর এলাকার স্থায়ী তীররক্ষা বাঁধ। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে শুরু হওয়া ভাঙনে, এ পর্যন্ত নদীগর্ভে গেছে বাঁধের প্রায় ১০০ মিটার। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে সুরেশ্বর মাছঘাট ও আশপাশের এলাকায়।

ভাঙনের আশঙ্কায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে প্রায় ২০টি ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান। 

পরিস্থিতি সামাল দিতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় জিও ব্যাগ ডাম্পিং শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি।

প্রাকৃতিক কারণের পাশাপাশি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগে সাবেক পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামিমের কমিশন বাণিজ্য আর লুটপাটের কারণকেই দায়ী করছেন স্থানীয়রা। গত ১৬ বছরে বাঁধ নির্মাণের জন্য বিভিন্ন সময়ে বরাদ্দের টাকা নিয়ে হয়েছে নয়ছয়।

২০১৮ সালে ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ তীররক্ষা বাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নেয় প্রশাসন। মোট ১ হাজার ৪০৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০২৩ সালে নির্মাণকাজ শেষ হয় প্রকল্পের। কাজের গুণগত মান ঠিক না থাকায় তিন বছরের মাথায় বাধে ধস দেখা দেয়ায়। ভাঙন প্রতিরোধে বর্তমান সংসদ সদস্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এমন প্রত্যাশা ক্ষতিগ্রস্তদের।

বিভি/এআই

মন্তব্য করুন:

সর্বাধিক পঠিত