• NEWS PORTAL

  • শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬

খেলতে গিয়ে শিশু নিখোঁজ, ছয় ঘণ্টা পর পাওয়া গেল বস্তাবন্দী গলাকাটা মরদেহ

শরীয়তপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৬:২৩, ৩ অক্টোবর ২০২৬

আপডেট: ১৬:২৪, ৩ অক্টোবর ২০২৬

ফন্ট সাইজ
খেলতে গিয়ে শিশু নিখোঁজ, ছয় ঘণ্টা পর পাওয়া গেল বস্তাবন্দী গলাকাটা মরদেহ

শরীয়তপুরের ডামুড্যায় নিখোঁজের ছয় ঘণ্টা পর সোয়াইফ হোসেন (০৩) নামে এক শিশুর বস্তাবন্দি গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্ত পরিবারের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করেছে। ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার শিধলকুড়া ইউনিয়নের পশ্চিম আদাসন এলাকায় একটি ডোবা থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত সোয়াইফ ওই এলাকার সেলিম সরদার ও শিমুলি দম্পতির সন্তান।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকাল ৭টার দিকে বাড়ি থেকে খেলতে বের হয়ে নিখোঁজ হয় সোয়াইফ। এরপর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা অনুসন্ধান শুরু করেন। একপর্যায়ে প্রতিবেশী আবু আলম শিকদারের বসতঘরের পেছনের ডোবা থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশুটির গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এদিকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্ত পরিবারের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ ঘটনায় আবু আলম শিকদারের ছেলে রাসেল শিকদারকে আটক করে পুলিশ।

নিহত শিশুর স্বজনদের অভিযোগ, প্রতিবেশী আলী আকবর শিকদারের পরিবারের সঙ্গে সেলিম সরদারের পরিবারের তুচ্ছ বিষয় নিয়ে গত শুক্রবার সন্ধ্যায় ঝগড়া হয়। ওই ঘটনার জেরে শিশুটিকে হত্যা করে বস্তাবন্দি অবস্থায় ডোবায় ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি তাদের।

শিশুটির বাবা সেলিম সরদার বলেন, ‘গতকাল সন্ধ্যায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমার মায়ের সঙ্গে প্রতিবেশী আলী আকবরের ঝগড়া হয়। আমার মা রাতে আমাকে বিষয়টি জানান। আজ সকালে আমি বাজারে গেলে ফিরে এসে দেখি, আমার সন্তান নেই। পরে থানায় গিয়ে জিডি করি। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের লোকজন খোঁজাখুঁজি করে আলী আকবরের বাড়ির পেছনের ডোবা থেকে আমার ছেলের বস্তাবন্দি গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে। আমার ছেলেকে ওরা নির্মমভাবে হত্যা করেছে। আমি এই ঘটনার বিচার চাই।’

তবে অভিযুক্ত পরিবারের কোনো সদস্য বাড়িতে না থাকায় এ বিষয়ে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গোসাইরহাট সার্কেল) শামসুল আরেফীন মুঠোফোনে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে শিশুটির বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে। হত্যাকাণ্ডে যারাই জড়িত থাকুক, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

বিভি/এআই

মন্তব্য করুন:

সর্বাধিক পঠিত