• NEWS PORTAL

  • বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৬

সিলেটজুড়ে লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত জনজীবন

প্রকাশিত: ১১:০৮, ১০ অক্টোবর ২০২২

আপডেট: ১১:০৯, ১০ অক্টোবর ২০২২

ফন্ট সাইজ
সিলেটজুড়ে লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত জনজীবন

সিলেটজুড়ে বিদ্যুৎ বিভ্রাটে বিপর্যস্ত জনজীবন। বিশেষ করে ব্যাঘাত ঘটছে স্কুল, কলেজ পড়–য়া ছাত্র ছাত্রীদের পড়াশোনা ও ব্যবসা বাণিজ্যের। সিলেটের উপজেলাগুলোতে বিদ্যুত বিভ্রাট লাগামহীন অবস্থা। বিভাগীয় শহর সিলেটে দিন-রাত মিলিয়ে ৫ থেকে ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না। এতে সাধারণ মানুষকে পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড সিলেট বিভাগীয় কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (৮ অক্টোবর) দুপুর থেকে সোমবার (১০ অক্টোবর) ৩টায় সিলেট জোনের ৮টি গ্রিডে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ৪৮২ দশমিক ৬ মেগাওয়াট। তবে সরবরাহ ছিল ৩২০ দশমিক ৭ মেগাওয়াট। এ হিসেবে ঘাটতি ছিল ১৬৩ দশমিক ৯ মেগাওয়াট। শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় পল্লী বিদ্যুতের সিলেট অঞ্চলে ১৮০ মেগাওয়াট চাহিদার বদলে সরবরাহ ছিল ১১৮ মেগাওয়াট। এই হিসেবে ৯০ মেগাওয়াট ঘাটতি ছিল। পল্লী বিদ্যুতে ঘাটতি বেশি থাকায় শহরের চাইতে গ্রামাঞ্চলে লোডশেডিং হচ্ছে বেশি।

গত চার-পাঁচ দিন লোডশেডিংয়ের কারণে দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ অফিস-আদালতে কাজের স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। গরমে মানুষের দুর্ভোগ আরো বাড়িয়ে দিচ্ছে। বিভিন্ন এলাকা থেকে বারবার  লোডশেডিংয়ে পড়ার অভিযোগ আসছে।

বিদ্যুত উন্নয়ন বোর্ড সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল কাদির জানান, গ্রিড লাইনে বিপর্যয়ের পর থেকে বিদ্যুতের ঘাটতি বেড়েছে। আগে যেখানে দিনে ঘাটতি ছিল ২০ শতাংশ এখন তা ৪৫ শতাংশের মতো হয়ে গেছে। ঘাটতির কারণ সম্পর্কে আমাদের জানানো হয়নি। তবে যতদূর জানতে  পেরেছি, গ্রিড বিপর্যয়ে বন্ধ হওয়া বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সবগুলো এখনও চালু হতে পারেনি। সিলেটের কুমারগাওয়ের ২৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুত কেন্দ্রও এখনও বন্ধ আছে। এ ছাড়া গ্যাসের চাপও অনেক কমে  গেছে। এসব কারণে বিদ্যুত উৎপাদন কমে যেতে পারে।

বিভি/টিটি

মন্তব্য করুন: