মুছাব্বিরকে হত্যা করে ভাড়াটে শ্যুটার, চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস!
রাজধানীতে স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক নেতাকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ হত্যাকাণ্ডের জন্য শ্যুটারকে ভাড়া করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। এর পেছনে চাঁদাবাজি কিংবা রাজনৈতিক শত্রুতা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এদিকে, হত্যার বিচার দাবিতে শনিবার (১০ জানুয়ারি) সারাদেশে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে স্বেচ্ছাসেবক দল।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর পশ্চিম তেজতুরি বাজার এলাকায় স্বেচ্ছাসেবক দলের ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক সদস্য সচিব আজিজুর রহমান মুসাব্বিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর আশপাশের বিভিন্ন সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করছেন তদন্তকারীরা।
তদন্ত সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী ভাড়াটে শুটার দিয়ে হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত করা হয়। ঘটনার আগে ও পরে এলাকায় রেকি করা হয় এবং মিশন সম্পন্ন করে খুনিরা কারওয়ান বাজারের দিক দিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় তেজগাঁও থানায় অজ্ঞাতনামা পাঁচজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার ইবনে মিজান বলেন, অপরাধীদের শনাক্তে পুলিশ, র্যাব, ডিবি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক ইউনিট কাজ করছে। চাঁদাবাজি, রাজনৈতিক দ্বন্দ্বসহ বিভিন্ন সম্ভাব্য কারণ সামনে রেখে তদন্ত চলছে।
এদিকে, মুছাব্বিরের স্ত্রী দাবি করেছেন, রাজনৈতিক কারণে এর আগেও তাকে একাধিকবার হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছিল। তবে নিজ এলাকায় এভাবে প্রকাশ্যে খুন হবেন—তা তারা কখনো কল্পনাও করেননি।
মুছাব্বিরের রাজনৈতিক সহযোদ্ধাদের অভিযোগ, কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদ পাওয়ার চেষ্টা এবং কাউন্সিলর নির্বাচন করতে চাওয়াই তার জন্য কাল হয়ে দাঁড়ায়।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় নয়াপল্টনে মুসাব্বিরের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে আজিমপুর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
এর আগে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারের আল্টিমেটাম দেয় স্বেচ্ছাসেবক দল। একই সঙ্গে বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়। এ সময় বিএনপি নেতারা বলেন, আরও প্রাণ দিতে হলেও নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র সফল হতে দেওয়া হবে না।
বিভি/টিটি




মন্তব্য করুন: