• NEWS PORTAL

  • শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

রাহুলের বাড়িতে গিয়ে বিপাকে জিৎ

প্রকাশিত: ১৮:৪৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬

ফন্ট সাইজ
রাহুলের বাড়িতে গিয়ে বিপাকে জিৎ

শুটিং করতে গিয়ে আচমকাই রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে উত্তাল পুরো টলিউড। সুরক্ষা বিধি ও পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলে 'জাস্টিস ফর রাহুল' দাবিতে পথে নেমেছেন কলকাতার তারকা থেকে শুরু করে সাধারণ টেকনিশিয়ানরা। কিন্তু এই দীর্ঘ ১২ দিনের প্রতিবাদী আবহে টলিউড সুপারস্টার জিতের অনুপস্থিতি নিয়ে তৈরি হয়েছিল হাজারও জল্পনা। 

অবশেষে শুক্রবার রাহুলের বিজয়গড়ের বাড়িতে গিয়ে সেই জল্পনার অবসান ঘটালেও নতুন করে বিতর্কের মুখে পড়লেন এই সুপারস্টার। রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর পর যখন টলিপাড়া মিছিলে উত্তাল, তখন কাজের সূত্রে মুম্বাইয়ে ব্যস্ত ছিলেন জিৎ। শহরে ফিরেই তিনি ছুটে যান রাহুলের বাড়িতে। 

সেখানে রাহুলের মা এবং তার দাদার সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন তিনি। স্টুডিওতে বসে শোকার্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর সেই মুহূর্তের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। আর এখান থেকেই শুরু হয় নেটিজেনদের একাংশের সমালোচনার বানী।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন জিতের ‘নীতিবোধ’ নিয়ে। সমালোচকদের দাবি, কোনো শোকাতুর পরিবারের ব্যক্তিগত মুহূর্তকে কেন ক্যামেরাবন্দি করা হলো? পিআর স্টান্ট বা প্রচারের আলো পেতেই কি এই ভিডিও শুট—এমন প্রশ্নে বিদ্ধ করা হচ্ছে সুপারস্টারকে। অনেকের মতে, বিগত দিনগুলোতে পাশে না থেকে হঠাৎ ক্যামেরার সামনে উপস্থিত হওয়াটা ‘সহজভাবে’ নেওয়া যাচ্ছে না।

তবে চুপ করে নেই জিতের অনুরাগীরাও। তাদের পাল্টা যুক্তি, জিৎ যখন প্রতিবাদে যোগ দেননি, তখন তাকে নিয়ে কুৎসিত আক্রমণ করা হয়েছিল। তাই তিনি যে কলকাতায় ফিরেই রাহুলের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন, তার প্রমাণ থাকা জরুরি ছিল। জিতের অনুরাগীদের দাবি, ক্যামেরা না থাকলে আবার প্রশ্ন তোলা হতো যে জিৎ আদৌ গিয়েছিলেন কি না। ভক্তদের দাবি, কোনো মহৎ কাজকে ট্রোল না করে তার মানবিকতার প্রশংসা করা উচিত।

টালিগঞ্জের স্টুডিওপাড়ায় এখন একটাই আলোচনা— আউটডোর শুটিংয়ের চূড়ান্ত গাফিলতির দায় কার? ফেডারেশন ও প্রযোজকদের টানাপোড়েনের মাঝে রাহুলের পরিবারের আর্তনাদ যেন কিছুটা হলেও আড়ালে চলে যাচ্ছে বিতর্কের চোরাবালিতে। জিতের এই সাক্ষাত সেই শোকার্ত পরিবারকে কতটা মানসিক শক্তি জোগাবে তা জানা না গেলেও, সোশ্যাল মিডিয়া আপাতত দ্বিধাবিভক্ত। 

বিভি/জোহা

মন্তব্য করুন: