• NEWS PORTAL

  • বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

বিশ্ব স্ট্রোক দিবস আজ: সচেতনতাই পারে বাঁচাতে জীবন

প্রকাশিত: ১০:৩৫, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

ফন্ট সাইজ
বিশ্ব স্ট্রোক দিবস আজ: সচেতনতাই পারে বাঁচাতে জীবন

ছবি: ইন্টারনেট

বিশ্ব স্ট্রোক দিবস আজ (২৯ অক্টোবর)। প্রতি বছর এ দিনে দিবসটি পালিত হয়। স্ট্রোক সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, রোগের ঝুঁকি কমানো এবং আক্রান্ত ব্যক্তির দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দিবসটি পালন করা হয়। চলতি বছরের বিশ্ব স্ট্রোক দিবসের প্রতিপাদ্য ‘প্রতিটি মিনিটই গুরুত্বপূর্ণ’ (Every Minute Counts)। স্ট্রোকের লক্ষণ দ্রুত শনাক্ত করে জরুরি চিকিৎসা নেওয়ার ওপর এ বছরের প্রচারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বিশ্বজুড়ে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ স্ট্রোক। সময়মতো চিকিৎসা না পেলে এ রোগে মৃত্যুর পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক অক্ষমতার ঝুঁকিও বাড়ে। তাই স্ট্রোকের লক্ষণ চেনা, ঝুঁকির কারণ সম্পর্কে জানা এবং আক্রান্ত ব্যক্তিকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার বিষয়ে সচেতনতা জরুরি।

স্ট্রোক হলো মস্তিষ্কের কোনো অংশে রক্তপ্রবাহ বন্ধ হয়ে যাওয়া অথবা মস্তিষ্কের রক্তনালি ফেটে রক্তক্ষরণ হওয়া। মস্তিষ্কের কোষে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন ও পুষ্টি পৌঁছাতে বাধা সৃষ্টি হলে কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে। এ কারণে স্ট্রোকের ক্ষেত্রে প্রতিটি মুহূর্ত গুরুত্বপূর্ণ।

স্ট্রোকের সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে হঠাৎ মুখের এক পাশ বেঁকে যাওয়া, শরীরের এক পাশের হাত বা পা দুর্বল হয়ে পড়া, কথা জড়িয়ে যাওয়া কিংবা কথা বুঝতে অসুবিধা হওয়া। এ ছাড়া হঠাৎ দৃষ্টিশক্তিতে সমস্যা, ভারসাম্য হারানো বা অস্বাভাবিক তীব্র মাথাব্যথাও দেখা দিতে পারে। এসব লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে জরুরি চিকিৎসা নিতে হবে। লক্ষণ কিছুক্ষণ পর কমে গেলেও অবহেলা করা উচিত নয়।

উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, রক্তে অতিরিক্ত কোলেস্টেরল, ধূমপান, স্থূলতা, শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। নিয়মিত রক্তচাপ ও রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণ, সুষম খাবার খাওয়া, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম এবং ধূমপান পরিহারের মাধ্যমে এ ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

বিশ্ব স্ট্রোক দিবসে সবার অঙ্গীকার হওয়া উচিত- স্ট্রোকের লক্ষণ সম্পর্কে জানা, ঝুঁকির কারণ নিয়ন্ত্রণ করা এবং আক্রান্ত ব্যক্তিকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া। সঠিক সময়ে চিকিৎসা ও পুনর্বাসন একজন রোগীর জীবন বাঁচানোর পাশাপাশি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার সম্ভাবনাও বাড়াতে পারে।

বিভি/পিএইচ

মন্তব্য করুন: