• NEWS PORTAL

  • রবিবার, ৩১ আগস্ট ২০২৫

Drama: Jamai Bou Chor
Drama: Jamai Bou Chor

মার্কিন শুল্কের প্রভাব: এসসিও সম্মেলনে ভারত-চীন সম্পর্কের উন্নতির সম্ভাবনা

প্রকাশিত: ১২:৩৩, ৩১ আগস্ট ২০২৫

আপডেট: ১২:৩৩, ৩১ আগস্ট ২০২৫

ফন্ট সাইজ
মার্কিন শুল্কের প্রভাব: এসসিও সম্মেলনে ভারত-চীন সম্পর্কের উন্নতির সম্ভাবনা

ছবি: সংগৃহীত

চীনের উত্তরাঞ্চলের তিয়ানজিন শহরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও)-এর শীর্ষ সম্মেলন। ৩১ আগস্ট ও পয়লা সেপ্টেম্বরের এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছেন ২০টিরও বেশি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধানরা। আল-জাজিরার তথ্যমতে, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর আমন্ত্রণে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এতে উপস্থিত হয়েছেন। এছাড়া, এই সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও।

সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও)-কে পশ্চিমা দেশগুলোর নেতৃত্বাধীন প্রচলিত কাঠামোর বাইরে দাঁড় করাতে চাচ্ছে চীন। ফলে বর্তমানে চীন-নেতৃত্বাধীন এই জোটটি কেবল মধ্য এশিয়াতেই নয়, বরং আন্তর্জাতিক রাজনীতির অঙ্গনেও একটি প্রভাবশালী প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠেছে। এখানে বিশ্ব নেতারা যুক্তরাষ্ট্র-বিরোধী সাধারণ উদ্বেগ ও দৃষ্টিভঙ্গি পরস্পরের সঙ্গে ভাগ করে নিতে পারেন। বর্তমানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন দেশে শুল্ক আরোপ করে বিশ্বব্যাপী বাণিজ্যযুদ্ধের সূচনা করেছে, এতে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে অনেক রাষ্ট্র।

সম্মেলনটিতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো এবং জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মতো বিভিন্ন ব্যাকগ্রাউন্ডের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা উপস্থিত রয়েছেন। সম্মেলনে ভারত ও চীনের সম্পর্কের কিছুটা উন্নতি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ২০২০ সালে হিমালয়ের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর থেকে ভারত ও চীনের সম্পর্ক কিছুটা অবনতির দিকে চলে গেলেও এই সম্মেলনে চীন ভারতের ওপর আরোপিত মার্কিন শুল্ক নীতিকে কাজে লাগিয়ে কোয়াড জোটে ভারতের অবস্থানকে দুর্বল করার কৌশল নিতে পারে। যেহেতু যুক্তরাষ্ট্রের ভারতের ওপর ৫০ শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপ করার পর পরিস্থিতি নতুন মোড় নিয়েছে। 
এর আগে আমেরিকা অভিযোগ করে রাশিয়া থেকে তেল কিনে ভারত পরোক্ষভাবে রুশ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করছে এবং ইউক্রেনে চলমান যুদ্ধকে সমর্থন দিচ্ছে।

সম্মেলনের পর ২ সেপ্টেম্বর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এই দিন কে কার সাথে সাক্ষাৎ করবে তা অবশ্য পর্যবেক্ষণের বিষয়। অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক বার্তা ঠিক এই বৈঠকগুলোর পরই প্রকাশ পায়। সম্মেলনের শেষের দিকে একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার প্রসঙ্গ, অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব জোরদার করা এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব আরোপের মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

আগামী ৩ সেপ্টেম্বর বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত হবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তির ৮০ বছর পূর্তি উপলক্ষে একটি সামরিক কুচকাওয়াজ। এই কুচকাওয়াজে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন, সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার ভুচিচ এবং স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোর অংশগ্রহণের কথা রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই কুচকাওয়াজে সরাসরি অংশ নেবেন না। তবে তিনি তার পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রতিনিধিত্ব করার জন্য পাঠাতে পারেন।
 

বিভি/আইজে

মন্তব্য করুন:

Drama Branding Details R2
Drama Branding Details R2