• NEWS PORTAL

  • মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

ইসরাইলে প্রথমবার হাইপারসনিক সেজ্জিল-২ ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান

প্রকাশিত: ২০:৫৮, ১৬ মার্চ ২০২৬

আপডেট: ২১:৫৮, ১৬ মার্চ ২০২৬

ফন্ট সাইজ
ইসরাইলে প্রথমবার হাইপারসনিক সেজ্জিল-২ ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান

ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার বেশ পাল্টা জবাব দিচ্ছে ইরান। এরই  মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলের বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে প্রথমবারের মতো হাইপারসনিক সেজ্জিল-২ ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনী।

ওই ক্ষেপণাস্ত্র ঠিক নাচতে নাচতে গিয়ে আঘাত হানে। এই ক্ষেপণাস্ত্র শব্দের চেয়ে ১৩ গুণ বেশি গতিসম্পন্ন। যা যুক্তরাষ্ট্রের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। রবিবার (১৫ মার্চ) প্রথমবারের মতো এই ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে বলে এক প্রতিবেদনে নিশ্চিত করেছে ইরানের সরকারি টেলিভিশন চ্যানেল প্রেস টিভি। 

হঠাৎ আলোচনায় আসা সেজ্জিল ক্ষেপণাস্ত্র কী?
নাচতে নাচতে গিয়ে আঘাত হানা সেজ্জিল ক্ষেপণাস্ত্রের একটি নাম ড্যান্সিং ক্ষেপণাস্ত্র। এছাড়াও সেজ্জিলের আরও দু’টি নাম আছে— সাজ্জিল এবং আশুরা। এটি ইরানের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি করা একটি শক্তিশালী মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র , যা সর্বোচ্চ  ২০০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। 

দুই স্তরের এই ক্ষেপণাস্ত্র সর্বোচ্চ ৭০০ কেজি বিস্ফোরক বহন করতে পারে। সেজ্জিল ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণনের সময় তরল জ্বলানির পরিবর্তে ‘সলিড জ্বালানি’ ব্যবহার করা হয় এবং এটির হাই-অল্টিচ্যুড ম্যানুয়েভারিং সক্ষমতার জন্য একে নৃত্যরত ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্যান্সিং মিসাইল বলা হয়ে।

গত নব্বইয়ের দশকের সেজ্জিল ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কাজ শুরু করে ইরান, ২০০৮ সালে তা শেষ হয়। ওই বছরই প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করা হয় ক্ষেপণাস্ত্রটি।

সেজ্জিলের দু’টি সংস্করণ আছে— সেজ্জিল-১ এবং সেজ্জিল-২। প্রথমটি স্বল্পপাল্লার, দ্বিতীয়টি মাঝারিপাল্লার। ইরানের প্রথম আঘাত হানা ক্ষেপণাস্ত্রটি ছিল সেজ্জিল-২।

যুক্তরাষ্ট্রের থিংকট্যাঙ্ক সংস্থা সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনারল স্টাডিজের তথ্য অনুসারে, সেজ্জিল ক্ষেপণাস্ত্রের দৈর্ঘ ১৮ মিটার (প্রায় ৫৫ ফুট), ব্যাস ১ দশমিক ২৫ মিটার (প্রায় সাড়ে ৪ ফুট) এবং ওজন ১২ হাজার ৬০০ কেজি।

বিভি/এজেড

মন্তব্য করুন:

সর্বাধিক পঠিত