• NEWS PORTAL

  • মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

মার্কিন সেনাদের উদ্দেশে ইরান লিখলো- ‘জাহান্নামে স্বাগতম’

প্রকাশিত: ১৬:৪৪, ৩০ মার্চ ২০২৬

ফন্ট সাইজ
মার্কিন সেনাদের উদ্দেশে ইরান লিখলো- ‘জাহান্নামে স্বাগতম’

ইরানের ওপর আক্রমণ শুরুর এক মাসের বেশি সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর দেশটিতে স্থল অভিযান চালানোর সম্ভাবনা নিয়ে ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র। এই খবর প্রকাশের পর ইরানের গণমাধ্যম তেহরান টাইমস তাদের ইংরেজি সংস্করণের প্রথম পাতায় শিরোনাম করেছে—‘ওয়েলকাম টু হেল’ (জাহান্নামে স্বাগতম)।

প্রতিবেদনটিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি পরোক্ষ হুমকি দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়, কোনো মার্কিন সেনা যদি ইরানের ভূখণ্ডে প্রবেশ করে, তবে তারা জীবিত ফিরে যেতে পারবে না—‘কফিনে করেই ফিরতে হবে’। এমন সতর্কবার্তা এসেছে এমন এক সময়ে, যখন মার্কিন গণমাধ্যমে জানানো হয়েছে যে মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত ১০ হাজার সেনা মোতায়েনের বিষয়টি বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র।

ওয়াশিংটন ইরানের ভেতরে সম্ভাব্য স্থল অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই মোতায়েন বাস্তবায়িত হলে অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাবে। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার দাবি করে আসছেন, ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা কমাতে শান্তি আলোচনার পথ খোলা রয়েছে।

দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত সেনা মোতায়েনের মূল উদ্দেশ্য ট্রাম্পের সামনে সামরিক বিকল্পের সুযোগ বাড়ানো। ইতোমধ্যে হাজার হাজার প্যারাট্রুপার ও মেরিন সেনা মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হয়েছে।

একজন ইরানি কর্মকর্তার মতে, যুক্তরাষ্ট্র যদি স্থল অভিযান শুরু করে, তাহলে তেহরান ইয়েমেনভিত্তিক হুথি বিদ্রোহীদের সক্রিয় করে তুলতে পারে। সে ক্ষেত্রে লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলের ওপর নতুন করে হামলা শুরু হতে পারে, যা সংঘাতকে আরও বিস্তৃত করে নতুন ফ্রন্ট তৈরি করবে।

তবে ট্রাম্প ধারাবাহিকভাবে জানিয়ে আসছেন, ইরানের বিরুদ্ধে স্থলযুদ্ধে সেনা পাঠানোর কোনো পরিকল্পনা তার নেই। অতিরিক্ত মার্কিন সেনারা কোথায় অবস্থান নেবে, সেটিও এখনো পরিষ্কার নয়। ধারণা করা হচ্ছে, তাদের ইরান এবং দেশটির গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপের আশপাশে মোতায়েন করা হতে পারে।

এদিকে, ইসরাইলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা তেহরানের কেন্দ্রে ‘ইরানি শাসনের’ অবকাঠামো লক্ষ্য করে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে। একই দিনে বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলেও তারা পুনরায় হামলা চালায়, যেখানে তাদের দাবি অনুযায়ী হিজবুল্লাহর অবকাঠামো ছিল লক্ষ্যবস্তু।

বিভি/এজেড

মন্তব্য করুন:

সর্বাধিক পঠিত