• NEWS PORTAL

  • বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬

ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ধ্বংস হলো ইহুদিদের উপাসনালয়!

প্রকাশিত: ২১:৩০, ৭ এপ্রিল ২০২৬

ফন্ট সাইজ
ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ধ্বংস হলো ইহুদিদের উপাসনালয়!

প্রায় ৬ সপ্তাহ ধরে ইরানে মার্কিন-ইসরাইল আগ্রাসন চলছে। এদিকে  ইরানের রাজধানী তেহরানে এই যৌথ বিমান হামলার শিকার হয়েছে ইহুদি সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উপাসনালয় সিনাগগ। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ বিমান হামলায় ইরানে থাকা ইহুদিদের ঐতিহাসিক ওই উপাসনালয়টি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানি কর্মকর্তারা ও সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা। 

মঙ্গলবার ইরানের রাষ্ট্রীয় চ্যালেন প্রেস টিভির এক প্রতিবেদনে জানায়, স্থানীয় সময় রাত ৩টার দিকে তেহরানের একটি আবাসিক এলাকায় অবস্থিত সিনাগগটিকে লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়। এতে ভবনটি পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয় এবং আশপাশের বাড়িগুলোও ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ইরানের পার্লামেন্টে ইহুদি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি হোমায়ুন সামেইয়েহ নাজাফাবাদি জানান, ভোরবেলায় ভবনটি খালি থাকায় কোনো হতাহত বা আহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে এটি ছিল ইরানের প্রাচীনতম উপাসনালয়গুলোর একটি, যার ঐতিহাসিক গুরুত্ব অনেক বেশি।

তিনি বলেন, ‘সিনাগগে সংরক্ষিত গুরুত্বপূর্ণ তোরাহ স্ক্রলগুলো (ইহুদি ধর্মের পবিত্র গ্রন্থ তোরাহ বা নবী মুসার ওপর অবতীর্ণ পঞ্চপুস্তকের হাতে লেখা অনুলিপি) ধ্বংস হয়ে গেছে এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছে।’

ইরানের ইহুদি সম্প্রদায়ের নেতা হোমায়ুন সামেইয়েহ নাজাফাবাদি এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘তেহরানের ইহুদি সম্প্রদায় বরাবরই জায়নিস্ট কর্মকাণ্ডের বিরোধিতা করে এসেছে।’

দুঃখ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘ইহুদিদের অন্যতম প্রধান ইহুদি ধর্মীয় উৎসব পাসওভার উৎসবের সময় এই সিনাগগে হামলা চালানো হয়েছে। অথচ এই উৎসবে জায়নিস্টরা তাদের শাসনব্যবস্থা এবং জায়নবাদবিরোধী অবস্থানের তীব্র নিন্দা জানিয়ে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছিল।’

এদিকে ঘটনার পরপরই নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ইরানের সংস্কৃতি ও ইসলামিক গাইডেন্স মন্ত্রী আব্বাস সালেহি বলেছেন, ‘তেহরানের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত এই ইহুদি উপাসনালয়ের ধ্বংস অত্যন্ত বেদনাদায়ক।’

তিনি বলেন, মার্কিন জায়নিস্ট যুদ্ধবাজরা ধর্মীয় স্থান এবং ইরানের সভ্যতার ঐতিহ্যকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। তাদের কাছে কেউ মুসলিম, খ্রিস্টান বা ইহুদি—এতে কোনো পার্থক্য নেই। তারা ইরানের জনগণকে লক্ষ্য করেছে। কিন্তু দিন শেষে ইরান টিকে থাকবে, আর তারা হারিয়ে যাবে। সূত্র: প্রেস টিভি

বিভি/এজেড

মন্তব্য করুন:

সর্বাধিক পঠিত