• NEWS PORTAL

  • সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

যারা মুখ লুকিয়ে থাকতেন, তারা বাধ্য হয়েছেন ‘হ্যাঁ’ বলতে: জামায়াত আমীর

প্রকাশিত: ১৯:৫৬, ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

আপডেট: ১৯:৫৬, ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ফন্ট সাইজ
যারা মুখ লুকিয়ে থাকতেন, তারা বাধ্য হয়েছেন ‘হ্যাঁ’ বলতে: জামায়াত আমীর

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, যারা ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ চায় না, তারা মূলত পুরোনো শাসনব্যবস্থাই টিকিয়ে রাখতে চায়। একসময় যারা মুখ লুকিয়ে থাকতেন এবং কোনো অবস্থান নিতেন না, এখন তারাই বাধ্য হয়ে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে কথা বলছেন। তবে আমরা চাই, মুখের কথার সঙ্গে তাদের বুকের কথার মিল থাকুক।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের পদুয়া এসিএম উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যজোটের বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘হ্যাঁ’-এর বিপক্ষে যারা অবস্থান নেবেন, বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ ধরে নেবে—তারা আবার ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে চায়। এ দেশের মানুষ আর কোনোভাবেই সেই পথে ফিরতে চায় না।

তিনি বলেন, দেশের যুবসমাজ দীর্ঘদিন ধরে ন্যায়বিচার, নিরাপত্তা ও মর্যাদার সঙ্গে বেঁচে থাকার দাবি জানিয়ে আসছে। বিশ্ব দরবারে সম্মানের সঙ্গে দাঁড়াতে হলে ‘হ্যাঁ’ ভোটের কোনো বিকল্প নেই। বিশেষ করে তরুণদের প্রথম ভোটটি যেন ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষেই হয়—সে আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে আগামী ১২ তারিখ তরুণ সমাজকে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে জয় ছিনিয়ে এনে নতুন বাংলাদেশ নিজেদের করে নেওয়ার আহ্বান জানান।

জামায়াত আমির বলেন, আমরা জামায়াতের বিজয় চাই না, চাই ১৮ কোটি মানুষের বিজয়। ১৮ কোটি মানুষের বিজয় মানেই সবার বিজয়। কিন্তু দল, পরিবার বা গোষ্ঠীর বিজয় হলে পরে সেই বিজয়ের নামে জাতির ওপর তাণ্ডব চালানো হয়। এমন বিজয় আমরা চাই না।

যুবসমাজ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তরুণরা কখনো বেকার ভাতা চায়নি, তারা বলেছে—আমাদের হাতে কাজ দিন। তারা দেশ ও জাতি গড়তে চায়। তাই আমরা যুবকদের হাতে অপমানজনক বেকার ভাতা নয়, তুলে দিতে চাই সম্মানের কাজ। এখানে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান—সবাই একসঙ্গে কাজ করবে। এখানে দল বা ধর্ম নয়, গুরুত্ব পাবে দক্ষতা ও দেশপ্রেম। এই চেতনাকে ভিত্তি করেই একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন এলডিপির চেয়ারম্যান ড. কর্নেল অলি আহমদ (বীর বিক্রম), জামায়াতের নায়েবে আমির আনম শামশুল ইসলাম এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ব্যারিস্টার হামিদ হোসেন আজাদ।

বিভি/এজেড

মন্তব্য করুন: