জুলাই যোদ্ধা সালমান মুক্তাদিরের সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনার জন্য ব্যথিত: রাশেদ খাঁন
কন্টেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার রাতে এই হামলা ও ভাঙচুরের পর একটি ভিডিও প্রকাশ করেন সালমান। সেখানে তিনি বলেন, চাঁদা দেওয়া হয়নি বলে স্টুডিও ভেঙেছে। তবে পরে চাঁদাবাজি সংক্রান্ত কোনো তথ্য মেলেনি বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন জানিয়েছেন, আমরা জুলাই যোদ্ধা সালমান মুক্তাদিরের সাথে ঘটে যাওয়ার জন্য ব্যথিত। ইনশাআল্লাহ, দোষীরা যথাযথ শাস্তি পাবে এবং তিনি ন্যায়বিচার পাবেন।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে বিষয়টি জানান তিনি। তার ভাষ্যমতে, নিউগিনি প্রোপার্টিজের মালিক নাজিম উদ্দীন আওয়ামী ঘনিষ্ঠ, তার বিরুদ্ধে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মামলাও চলছে। তার এই জমি নিয়ে বিরোধ ছিল আগে থেকেই।
তিনি লেখেন, নিউ গিনি প্রোপার্টিজ লিমিটেড ভিতরে ২ পক্ষের জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের জেরে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা! নিউ গিনি প্রোপার্টিজের সংলগ্ন সাবেক কিছু সরকারি কর্মকর্তার ২৩ কাঠা জমি রয়েছে। এরমধ্যে ৮ কাঠা জমি নিয়ে বিরোধ চলছে। সাবেক সরকারি কর্মকর্তাদের দাবি অতীতে প্রভাব বিস্তার করে ৮ কাঠা জমি দখল করেছে নিউ গিনি প্রোপার্টিজের মালিক আওয়ামী ঘনিষ্ঠ নাজিম উদ্দীন। যিনি বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মামলায় জেলও খেটেছেন।
রাশেদ খাঁন আরও লেখেন, অতিসম্প্রতি তার কাছ থেকে ৫০০০ স্কয়ার ফিট জায়গা ভাড়া নিয়ে স্টুডিও করেছে সালমান মুক্তাদির। নিউ গিনি প্রোপার্টিজ লিমিটেডের মালিক নাজিম উদ্দীন অতিসম্প্রতি এমনভাবে ৩ টা নতুন গেট দিয়েছে, যাতে ভিতরে অন্য জমির মালিকরা ঢুকতে না পারে। দখলের উদ্দেশ্যে এমন করেছে বলে সাবেক সরকারি কর্মকর্তাদের দাবি। যেকারণে তারাও ক্ষুব্ধ হয়ে লোকজন ভাড়া করে গেট ভাঙতে গিয়ে নাজিম উদ্দীনের সম্পদ মনে করে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভেঙেছে। এটা অনাকাঙ্ক্ষিত। সরকারি সাবেক কর্মকর্তা হিসেবে তারা আইনের আশ্রয় নিতে পারতো, তা না করে পাল্টা পেশিশক্তি দেখাতে গিয়ে পুরোপুরি বিএনপির উপর দায় চাপিয়ে দিতে একপ্রকার সহযোগিতা করেছে!
প্রধানমন্ত্রীর এই রাজনৈতিক সহকারী আরও বলেন, দখল ও পাল্টা দখলের সাথে বিএনপির কিংবা কোনো রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নাই। কিন্তু গণঅভ্যুত্থানে পরে যারা ইসলামি ব্যাংক দখল থেকে শুরু করে বিভিন্ন সম্পদ নিজেদের দাবি করে দখল করা শুরু করেছিলো, তারাই আজকে সব ঘটনায় বিএনপিকে দোষারোপ করে ভিলেন বানাতে অপচেষ্টা করে যাচ্ছে।
শেষদিকে তিনি লেখেন, সালমান মুক্তাদিরের উচিত ছিলো, পুরো ঘটনা জেনে তারপর মন্তব্য করা, কিন্তু তিনি সব পক্ষের সাথে কথা না বলে বিএনপির লোকজনকে চাঁদা দেয় নি বলে স্টুডিও ভেঙেছে মর্মে বক্তব্য দিলেন! আশা করি, এবার তিনি সত্যতা তুলে ধরবেন। আমরা জুলাই যোদ্ধা সালমান মুক্তাদিরের সাথে ঘটে যাওয়ার জন্য ব্যথিত। ইনশাআল্লাহ, দোষীরা যথাযথ শাস্তি পাবে এবং তিনি ন্যায়বিচার পাবেন।
বিভি/এজেড













মন্তব্য করুন: