কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনাল
এয়ারপোর্টে ঝিনুক আকৃতির ছাদ, স্টিলের কাঠামোতে সমুদ্রের ঢেউ!
ঝিনুক আকৃতির ছাদ। ওপরে স্টিলের কাঠামোতে সমুদ্রের ঢেউয়ের নকশা। সাগরঘেঁষা কক্সবাজার বিমানবন্দরে দেখা যাচ্ছে এমনই নান্দনিক টার্মিনাল। কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন আন্তর্জাতিক টার্মিনাল পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয়েছে।
বর্তমানে অভ্যন্তরীণ যাত্রীদের সেবা দেয়া হলেও, আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনার জন্যও প্রস্তুত করা হয়েছে আধুনিক এই টার্মিনাল। যাত্রীসেবার আন্তর্জাতিক মানের কথা মাথায় রেখে তৈরি হয়েছে আধুনিক অবকাঠামো। পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে বছরে যাত্রীসেবা সক্ষমতা ৭ লাখ ৩০ হাজার থেকে বেড়ে দাঁড়াবে ২০ লাখে।
এখানে রয়েছে প্রশস্ত অ্যাপ্রোন। ৩৬ হাজার ৩০০ বর্গমিটারের এই অ্যাপ্রোনে একসঙ্গে রাখা যাবে দুটি ওয়াইডবডি ও তিনটি ড্যাশ-এইট উড়োজাহাজ। আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনায় সক্ষমতার মান যাচাই শেষে, এই বিমানবন্দর পেয়েছে ইন্টারন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন অর্গানাইজেশনের সনদও।
সোমবার একটি ফ্লাইট পরিচালনার মধ্যে দিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয় নতুন টার্মিনাল। প্রাথমিকভাবে সেবা দেয়া হচ্ছে অভ্যন্তরীণ রুটের যাত্রীদের। নতুন টার্মিনালের আধুনিক ব্যবস্থাপনায় সন্তুষ্ট পর্যটক ও যাত্রীরা।
এই টার্মিনালে আন্তর্জাতিক বহির্গমনে চারটি এবং আগমনে ছয়টি ইমিগ্রেশন কাউন্টার। লাগেজ পরিবহনে রয়েছে দুটি বেল্ট। সঙ্গে পাবলিক অ্যাড্রেস সিস্টেম, ফ্লাইট ইনফরমেশন ডিসপ্লে, সিসিটিভি ও ভারী হ্যান্ডব্যাগ স্ক্যানিংয়ের সুবিধা। এতে করে পর্যটক আরও বাড়বে।
ডিউটি ফ্রি শপ থেকে বোর্ডিং ব্রিজ; যাত্রীদের স্বচ্ছন্দ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে রাখা হয়েছে আধুনিক নানা ব্যবস্থা। রয়েছে লিফট, এস্কেলেটর ও চেক-ইন কাউন্টার। আগমন ও বহির্গমনের জন্য রয়েছে আলাদা ইমিগ্রেশন কাউন্টার ও লাউঞ্জ। অবকাঠামোর সঙ্গে সেবার মানও যাতে বজায় থাকে; সেই প্রত্যাশা যাত্রীদের।
বিভি/এজেড













মন্তব্য করুন: