• NEWS PORTAL

  • শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

বিদ্যুৎ উৎপাদনের চূড়ান্ত ধাপে রূপপুর, গ্রিডে সরবরাহের প্রস্তুতি

প্রকাশিত: ২০:০২, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

ফন্ট সাইজ
বিদ্যুৎ উৎপাদনের চূড়ান্ত ধাপে রূপপুর, গ্রিডে সরবরাহের প্রস্তুতি

ছবি: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র

জাতীয় গ্রিডে পরীক্ষামূলকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহের পথে আরও এক ধাপ এগিয়েছে পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিটে পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরুর পর এবার বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরবর্তী ধাপের অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়েরা)। এ পর্যায়ে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে কেন্দ্রটির নিরাপদ ও স্থিতিশীল কার্যক্রম যাচাই করা হবে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার বিকালে ভৌত পরীক্ষার ফলাফল পর্যালোচনা করে ‘পাওয়ার স্টার্ট’ বা সি-স্টেজ শুরুর অনুমতি দেয় বায়েরা। এই ধাপে চুল্লির ক্ষমতা ধীরে ধীরে বাড়িয়ে কেন্দ্রের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হবে।

নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (এনপিসিবিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জাহেদুল হাছান বলেন, সি-স্টেজে শূন্য শক্তি উৎপাদন থেকে পরীক্ষা শুরু হবে। উৎপাদনক্ষমতা শূন্য থেকে ৩০ শতাংশে পৌঁছালে জাতীয় গ্রিডে পরীক্ষামূলকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে।

এ পর্যায়ে পারমাণবিক চুল্লি, শীতলীকরণ ব্যবস্থা, টারবাইন, জেনারেটর, বিদ্যুৎ সরবরাহ ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হবে। পাশাপাশি সীমিত পরিসরে তাপশক্তি উৎপাদন করে ধাপে ধাপে তা বাড়ানো হবে। সবকিছু অনুমোদিত মান অনুযায়ী কাজ করছে কি না, তা যাচাই করেই পরবর্তী পর্যায়ে অগ্রসর হওয়া হবে।

এর আগে সেপ্টেম্বরে রূপপুরে পারমাণবিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে শক্তি উৎপাদন শুরুর পরিকল্পনা ছিলো। তবে নিরাপত্তা ভালভের পরীক্ষায় ত্রুটি ধরা পড়ায় কার্যক্রম পিছিয়ে যায়। পরে পরীক্ষা সম্পন্ন করে বায়েরা থেকে অনুমোদন পাওয়ার পর ১১ অক্টোবর প্রথম ইউনিটে পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরু হয়।

রূপপুর বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় একক প্রকল্প। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। কেন্দ্রটির পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে সরকারি প্রতিষ্ঠান এনপিসিবিএল। রাশিয়ার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অ্যাটমস্ট্রয়এক্সপোর্ট সেখানে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার দুটি ইউনিট নির্মাণ করছে।

কেন্দ্র-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, প্রতিটি পর্যায়ে বায়েরা থেকে অনুমোদন নেওয়া বাধ্যতামূলক। সর্বোচ্চ নিরাপত্তা মান ও নিয়ন্ত্রক বিধিবিধান মেনে পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পরই জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের পরবর্তী কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে।

বিভি/এমআর

মন্তব্য করুন:

সর্বাধিক পঠিত