৩ জুলাই থেকে ডিজিটাল হাট শুরু
করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে জনসমাগম এড়াতে এবং ক্রেতা-বিক্রেতার সুবিধার্থে সরকারের আইসিটি বিভাগ এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ডিজিটাল হাটকে প্রাধান্য দিয়ে কাজ করছে। যে কারণে গত দুই বছরের মতো এবারও কোরবানির পশু বেচাকেনায় ডিজিটাল হাটের দিকে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। এবার কোরবানির ডিজিটাল হাট শুরু হচ্ছে আগামী রবিবার (৩ জুলাই) থেকে।
সরকারের এটুআই প্রকল্পের একশপ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি), বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিডিএফএ) এবং ই-ক্যাব ডিজিটাল হাটের অংশীদার হিসেবে কাজ করছে।
রবিবার (৩ জুলাই) সারাদেশের ৬৪টি জেলায় একযোগে উদ্বোধন হবে ডিজিটাল হাট। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম ভার্চুয়ালি এ হাটের উদ্বোধন করবেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করবেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। অনুষ্ঠানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, এটুআই প্রকল্প ও ই-ক্যাব প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
৩ জুলাই উদ্বোধনের পর যে কেউ আইসিটি বিভাগ পরিচালিত ‘digitalhaat.gov.bd’ ওয়েবসাইট থেকে কোরবানির পশু কেনা-বেচা করতে পারবেন। ডিজিটাল হাটে ই-ক্যাব ও বাংলাদেশ ডেইরি ফার্ম অ্যাসোসিয়েশন অনুমোদিত খামারিরা পশু বিক্রি করতে পারবেন। এ ছাড়া স্থানীয় জেলা প্রশাসনের অনুমোদিত বিক্রেতারাও পশু বিক্রি করতে পারবেন।
ডিজিটাল হাটের ওয়েবসাইটে এরই মধ্যে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ৭০টি পশু খামারের খামারিরা যুক্ত হয়েছেন। গরু, ছাগল, ভেড়া, দুম্বা, উট ও মহিষকে প্রাণীর ক্যাটাগরি হিসেবে ওয়েবসাইটে রাখা হয়েছে। ওয়েবসাইটে গ্রাহকের অভিযোগ জানানোরও ব্যবস্থা আছে। এ ছাড়া আছে অনলাইনে পেমেন্ট সুবিধা।
অনলাইন হাট থেকে পশু কিনে নিয়ে যাওয়া একটি বিরাট সমস্যা। কিন্তু ডিজিটাল হাটের উদ্যোগে পশু শিপমেন্টের ব্যবস্থাও রয়েছে। মাংস প্রসেসিং করার জন্য রয়েছে কসাইয়ের ব্যবস্থাও।
বিভি/এনএ













মন্তব্য করুন: