চট্টগ্রাম বন্দরে দ্বিতীয় দিনেও কর্মবিরতি, কর্তৃপক্ষের দাবি কাজ চলমান
নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়ার প্রতিবাদে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের ডাকা ধর্মঘটে দ্বিতীয় দিনের মতো চট্টগ্রাম বন্দরে সব ধরনের অপারেশনাল কার্যক্রমে অচলাবস্থা তৈরী হয়েছে। বন্দরে কনটেইনার ও পণ্য পরিবহনকারী যানবাহন চলাচল পুরোপুরি বন্ধ আছে। বিভিন্ন সেবা ডেস্কে কর্মবিরতির নোটিশ ঝুলিয়ে দিয়েছেন শ্রমিক-কর্মচারীরা।
এদিকে বন্দর এলাকায় পুলিশের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে মিছিল-সমাবেশসহ যে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর অবস্থান নিয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দরে রোববার সকাল থেকে দ্বিতীয় দিনের মতো শ্রমিক–কর্মচারীদের কর্মবিরতি চলছে। তবে কর্মবিরতি ও আন্দোলন ঘিরে সমাবেশসহ বিভিন্ন কর্মসূচি বন্ধ রাখতে নির্দেশনা জারি করেছে সিএমপি পুলিশ।
বন্দরের ৪ নম্বর গেটে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বাইরে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল, স্কপসহ বিভিন্ন ট্রেড ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা অবস্থান নিয়েছেন। তবে তারা কাজে যোগ না দেওয়ায় সব ধরনের ট্রাক ও লরি প্রবেশ বন্ধ রয়েছে। এতে বন্দরের আমদানি-রপ্তানি স্থবির হয়ে পড়েছে।
বন্দরে অপারেশনাল কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে চলছে বন্দরের অন্যান্য প্রশাসনিক কার্যক্রম। বন্দরের ভেতরে কোনো বিক্ষোভকারী যেন ঢুকতে না পারে, সেজন্য সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগে চার কর্মচারীকে ঢাকার পানগাঁও আইসিটিতে বদলি করা হয়েছে। পাশাপাশি, অফিস চলাকালে আন্দোলনে অংশ নেওয়া কর্মকর্তা–কর্মচারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এদিকে বন্দর কতৃপক্ষের পরিচালক প্রশাসন ওমর ফারুক দাবি করেছেন বন্দর জেটিতে কাজ চলছে। আজ রোববার দুপুর পর্যন্ত এক হাজার ৭০০ কনটেইনার হ্যান্ডলিং করা হয়েছে।
বিভি/এজেড



মন্তব্য করুন: