এক জেলায় একই দিনে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনা ও বজ্রপাতে নারীসহ তিনজনের মৃত্যু
সাতক্ষীরায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনা ও বজ্রপাতে এক নারীসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আশাশুনি উপজেলার কচুয়া গ্রামে বজ্রপাতে এক নারী নিহত হন। একই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সদর উপজেলার ছয়ঘরিয়া মোড়ে এবং রাত ৮টার দিকে তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা থানার ওভারব্রিজে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দুই যুবকের মৃত্যু হয়।
নিহতরা হলেন—আশাশুনি উপজেলার কচুয়া গ্রামের ইলিয়াস আলীর স্ত্রী রুবিনা খাতুন (২৫), একই উপজেলার আশাশুনি গ্রামের মো. আব্দুল জলিলের ছেলে মেহেদী হাসান সবুজ (২৮) এবং সদর উপজেলার বলাডাঙ্গা গ্রামের আব্দুস সবুরের ছেলে রাকিবুল হাসান (১৯)।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুর ২টার দিকে আশাশুনি উপজেলার কুল্যা ইউনিয়নের কচুয়া গ্রামে বাড়ির পেছনে ঘাস কাটছিলেন রুবিনা খাতুন। এ সময় হঠাৎ বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাহাঙ্গীর আরিফ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সদর উপজেলার সাতক্ষীরা-যশোর সড়কের ছয়ঘরিয়া মোড়ে একটি ভ্যানের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মোটরসাইকেল চালক রাকিবুল হাসান গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাহমুদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অপরদিকে, রাত ৮টার দিকে পাটকেলঘাটা থানাধীন খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের পাটকেলঘাটা ওভারব্রিজের ওপর একটি কভার্ড ভ্যান মোটরসাইকেলকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে মোটরসাইকেল চালক মেহেদী হাসান সবুজ ঘটনাস্থলেই মারা যান। তিনি ডুমুরিয়া এলাকায় একমি কোম্পানির প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পাটকেলঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ উদ্ধার করে থানায় রাখা হয়েছে। বর্তমানে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। খর্নিয়া হাইওয়ে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এসে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
বিভি/পিএইচ













মন্তব্য করুন: