স্টোর রুমে নিয়ে হেফজ বিভাগের শিক্ষার্থী ধর্ষণ, শিক্ষক গ্রেফতার
প্রতীকী ছবি
ফেনীর দাগনভূঁঞায় শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত ওই শিক্ষকের নাম আবদুল জলিল (২১)। তিনি খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলার ইসলামলপুর গ্রামের আবু ছায়েদের ছেলে ও দাগনভূঁঞা উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নপর ভবানীপুর দক্ষিণ জাঙ্গালিয়া মঈনুল উলুম ইসলামিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার আবাসিক শিক্ষক।
জানা গেছে, ওই মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের ৮ বছর বয়সী ওই ছেলে শিক্ষার্থীকে মাদ্রাসার সংলগ্ন স্টোর রুমে নিয়ে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় ওই শিশুর বাবা বাদী হয়ে দাগনভূঁঞা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের (সংশোধিত-৩ ) ৯ (১) ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। পুলিশ বুধবার (২০ জুলাই) রাতেই ওই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে।
পুলিশ, স্থানীয় শিক্ষক ও অভিভাবক সুত্র জানায়, ৮ বছর বয়সী ওই ছেলেশিক্ষার্থী মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের আবাসিক ছাত্র ছিল। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যার ওই মাদ্রাসার আবাসিক শিক্ষক আবদুল জলিল ওই ছাত্রকে মাদ্রাসার স্টোর রুমে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে গত বুধবার সন্ধ্যায় ওই ছাত্রের বাবা বাদী হয়ে দাগনভূঁঞা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। রাতেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে মাদ্রাসা শিক্ষক আবদুল জলিলকে গ্রেপ্তার করেছে।
দাগনভূঁঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান ইমাম জানান, ওই মাদ্রাসা শিক্ষক পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করেন। তাকে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ফেনীর বিচারিক হাকিম আদালতে পাঠানো হয়েছে।
বিভি/আরআই/এজেড













মন্তব্য করুন: