মোহাম্মদপুর-বেড়িবাঁধে বেড়েছে চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্য
রাজধানীর মোহাম্মদপুর-বেড়িবাঁধ এলাকায় আবারও বেপরোয়া চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্য দেখা যাচ্ছে। কিলার বাদলের ইশারায় পরিচালিত এই চক্রটি মোহাম্মদপুরের কয়েকটি পয়েন্ট থেকে মাদক কারবার ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে মাসে কোটি টাকারও বেশি আদায় করে। মাদক ব্যবসা ও চাঁদাবাজি বন্ধে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে থাকার দাবি করলেও মাঠের চিত্র একেবারেই ভিন্ন। প্রায়ই এই চক্রের হাতে নাজেহাল হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।
ঘড়ির কাঁটায় রাত ১০টা ২০ মিনিট। রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বসিলা এলাকার একটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, বোরকা পরা কয়েকজন যুবক দেশীয় অস্ত্র হাতে দৌড়াচ্ছে। এর কয়েক মিনিট আগে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ইব্রাহিম খলিলকে কুপিয়ে জখম করে তারা।
পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই হামলার নেতৃত্ব দেওয়া রাব্বি স্থানীয়ভাবে ‘জাউরা রাব্বি’ নামে পরিচিত। এর আগে গত ২১ ফেব্রুয়ারির একটি ফুটেজে দেখা যায়, দিনদুপুরে মোহাম্মদপুর তিন রাস্তার মোড়ে শ্রমিক নেতা রাসেল ও মামুনের ওপর নির্মম হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। মূলত সিএনজি স্ট্যান্ড থেকে চাঁদা তুলতে বাধা দেওয়ায় এ হামলা চালানো হয়।
স্থানীয়দের ভাষ্য, দূর থেকে এসব হামলায় নেতৃত্ব দেয় কিলার বাদল। তার ডানহাত মোল্লা কাউসার ও গ্যারেজ সোহেল। মোহাম্মদপুর এলাকার বিভিন্ন দোকানপাট ও স্ট্যান্ড থেকে চাঁদা তোলাই তাদের মূল পেশা। বাধা দিলেই চালানো হয় হামলা।
গত ১৯ ফেব্রুয়ারি গ্যাস সিলিন্ডারের দোকান থেকে চাঁদা দাবি করা কালা ফারুকও এই গ্রুপের সদস্য। পুলিশের দাবি, চাঁদাবাজি বন্ধে তারা মাঠে সতর্ক রয়েছে।
ক্ষমতাধরদের আশকারাতেই মোহাম্মদপুরসহ রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে দাপটের সঙ্গে ঘুরে বেড়াচ্ছে এসব চাঁদাবাজরা।
বিভি/পিএইচ



মন্তব্য করুন: