• NEWS PORTAL

  • রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

চাঞ্চল্যকর জনি হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন

পথচারীকে ছুরি মারতে গিয়ে নিজ দলের সদস্যকেই খুন করলো ছিনতাইকারী!

প্রকাশিত: ১৫:০১, ১১ অক্টোবর ২০২৬

আপডেট: ১৫:২৮, ১১ অক্টোবর ২০২৬

ফন্ট সাইজ
পথচারীকে ছুরি মারতে গিয়ে নিজ দলের সদস্যকেই খুন করলো ছিনতাইকারী!

রাজধানীর কদমতলীতে ছিনতাই করে পালানোর সময় এক পথচারীর হাতে ধরা পড়েন অটোচালক জনি। তাকে ছাড়িয়ে নিতে ওই পথচারীকে ছুরিকাঘাতের চেষ্টা করেন তার সহযোগী বাপ্পি। তবে ছুরির আঘাত লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে জনির বুকে বিদ্ধ হয়। এতে মারা যান জনি। এ ঘটনায় জড়িত দুই ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

রবিবার (১১ অক্টোবর) খিলগাঁওয়ের বনশ্রীতে পিবিআই ঢাকা মেট্রো দক্ষিণ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার এস এম মোস্তাইন হোসেন।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জানান, নিহত মো. জনি পেশায় একজন অটোচালক। গত ২৯ আগস্ট রাত ১টার দিকে তিনি বাসা থেকে বের হন। পরে ভোর ৫টার দিকে কদমতলী থানার জুরাইন এলাকার মোক্তার হোসেন সড়কে বুকে ছুরিকাঘাতের জখমসহ তাকে পড়ে থাকতে দেখে টহল পুলিশ। তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় জনির মা ডালিয়া (৬০) অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে কদমতলী থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলার তদন্তে নেমে পিবিআই ঢাকা মেট্রো দক্ষিণ হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে মেহেদী হাসান বাপ্পিকে (২৮) গত ৯ অক্টোবর রাতে কদমতলী এলাকা থেকে গ্রেফতার করে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ১০ অক্টোবর রাতে একই এলাকা থেকে অপর আসামি মো. নুর আলম বারেককে (২৪) গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে পুলিশ সুপার জানান, ঘটনার রাতে অর্থাৎ ২৯ আগস্ট রাত সাড়ে ৩টার দিকে জনিসহ আসামিরা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে ঘটনাস্থলে যান। সেখানে দুই পথচারীকে আসতে দেখে তারা তাদের পথরোধ করেন। এ সময় পথচারীদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেন। পাশাপাশি একজনের কাঁধে থাকা একটি ব্যাগও নিয়ে যান তারা।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ছিনতাই শেষে পালানোর সময় এক পথচারী জনিকে ধরে ফেলেন। এ সময় ধস্তাধস্তি শুরু হলে জনিকে ছাড়িয়ে নিতে বাপ্পি হাতে থাকা ছুরি দিয়ে ওই পথচারীকে আঘাত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু ছুরির আঘাত পথচারীর পরিবর্তে জনির বুকে বিদ্ধ হয়। জনির চিৎকার শুনে বাপ্পি ও তার সহযোগী নুর আলম বারেক ছিনতাই করা মোবাইল ফোন ও টাকা নিয়ে পালিয়ে যান। পরে পথচারীদের চিৎকার শুনে পাশের গলির এক দারোয়ান ঘটনাস্থলে এসে পুলিশকে খবর দেন। এরপর টহল পুলিশ জনিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

বিভি/বিএস/পিএইচ

মন্তব্য করুন: