সপ্তাহ ধরে চলা আন্দোলনে চুয়েটে অচলাবস্থা, বন্ধ একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) নতুন উপাচার্য নিয়োগ বাতিল ও সদ্য সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে চলা আন্দোলন গড়িয়েছে সপ্তম দিনে। একদিকে ক্যাম্পাসে চলছে কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচী, অন্যদিকে চলছে বিক্ষোভ।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে চুয়েট প্রধান ফটকে অবস্থান নিয়ে চুয়েট শিক্ষার্থীরা পালন করেন কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি। এছাড়া দুপুরে শ্বেত শাড়ির গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করে চুয়েট শিক্ষার্থীরা। যেখানে একটি শ্বেত শাড়িতে চুয়েটের সদ্য সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমের সফল কার্যক্রম ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার গণসাক্ষ্য তুলে ধরা হয়।
এছাড়[ও সদ্য সাবেক উপাচার্যকে পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলনের কারণে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও আন্দোলনকারীদের ওপর বিভিন্ন মহল থেকে চাপ, ভয়-ভীতি প্রদর্শন ও হুমকির প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল বের করে।
শিক্ষার্থীদের দাবির সাথে সমর্থন জানিয়ে কর্মবিরতি পালন করছে চুয়েট শিক্ষক সমিতি ও চুয়েট অফিসার্স এসোসিয়েশনও। ফলে বন্ধ সব ধরনের অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম। সদ্য সাবেক অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে চুয়েটের উপাচার্য পদে পুনর্বহালের দাবি না মানা পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন চলবে বলে জানান তারা।
গত ২১ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে সরিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস–চ্যান্সেলর পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদেই বিক্ষোভে নামেন শিক্ষার্থীরা।
বিভি/এআই













মন্তব্য করুন: