১৯২২ থেকে যে শরবতের স্বাদের রাজত্বে আজও দীর্ঘ লাইন পুরান ঢাকায়
১৯২২ সাল থেকে এই দোকানের শরবতের স্বাদে মজে আছেন পুরান ঢাকার বাসিন্দারা। একসময় দেশের বড় বড় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব থেকে সিনেমার তারকা, এমনকি ভারতীয়রাও ছুটে আসতেন এই দোকানে শরবাত, লাচ্ছি-ফালুদার স্বাদ নিতে।
প্রায় একশ বছর পরও চিত্রটা বদলায়নি। স্বাদ নিতে এখনো দোকানের বাইরে দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করেন ক্রেতারা। পুরান ঢাকার জনসন রোডের বিউটি লাচ্ছি অ্যান্ড ফালুদা নামক এই দোকানের শুরুটা অবশ্য লাচ্ছি কিংবা ফালুদা দিয়ে নয়—। লেবুর শরবত দিয়ে আবদুল আজিজের হাত ধরে পথচলা। পরে যুক্ত হয় লাচ্ছি, এরপর ফালুদা। তিন প্রজন্ম পেরিয়ে এখনো একই ধারায় চলছে ব্যবসা।
ফালুদার মূল আকর্ষণ দুধের মালাই। সঙ্গে নিজেদের তৈরি নুডলস, সাগুদানা, কলা, খেজুর, কিশমিশ, আনার, আপেল, চেরি, চিনির শিরা ও মধু। নরমাল ফালুদা ৬০, স্পেশাল ৮০ টাকা। লাচ্ছি ৩০ থেকে ৪০ টাকা। ক্রেতারা বলছেন, দাম যেমনই হোক- এই দোকানের খাবারের স্বাদ নিতে ভোলেন না তারা।
দোকানের কারিগর জানান, দোকানে যারা কাজ করেন সবাই পরিবারের সদস্য। ৩ পুরুষের পর চতুর্থ পুরুষও হাল ধরবেন দোকানের। তার দাবি, উপকরণে ব্যবহার করা হয় না কোনো কৃত্রিম রাসায়নিক।
আদালতপাড়ার বিচারক-আইনজীবী থেকে দূর-দূরান্তের ক্রেতা— সবাই আসেন পুরান ঢাকার এই স্বাদের টানে। ক্রেতাদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে, বনানী ও নাজিরাবাজারে পর লালবাগেও হচ্ছে তাদের নতুন শাখা।
বিভি/এজেড













মন্তব্য করুন: