• NEWS PORTAL

  • রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

ইসরাইলের ইলেকট্রনিক যুদ্ধ-রাডার-বিমান বন্দরের জ্বালানি সংরক্ষণ কেন্দ্রে ইরানের হামলা

প্রকাশিত: ২২:১০, ২৮ মার্চ ২০২৬

আপডেট: ২২:১১, ২৮ মার্চ ২০২৬

ফন্ট সাইজ
ইসরাইলের ইলেকট্রনিক যুদ্ধ-রাডার-বিমান বন্দরের জ্বালানি সংরক্ষণ কেন্দ্রে ইরানের হামলা

ইরানের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা ড্রোন ব্যবহার করে ইসরাইলের হাইফা বন্দর এবং বেন গুরিয়ন বিমানঘাঁটির গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের কথিত আগ্রাসী যুদ্ধ পঞ্চম সপ্তাহে প্রবেশের প্রেক্ষাপটে এই হামলার দাবি করা হয়।

শনিবার এক বিবৃতিতে ইরানি সেনাবাহিনী জানায়, হাইফার কৌশলগত ইলেকট্রনিক যুদ্ধ ও রাডার কেন্দ্র এবং বেন ঘুরিয়ন বিমান বন্দরের জ্বালানি সংরক্ষণ কেন্দ্রগুলো তাদের যুদ্ধ ড্রোন দ্বারা হামলা করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, হাইফায় ইসরাইলের এয়ারোস্পেস কমপ্লেক্সের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট “আলতা” নামের কৌশলগত ইলেকট্রনিক যুদ্ধ ও রাডার কেন্দ্র এবং বেন গুরিয়ন বিমানঘাঁটির জ্বালানি সংরক্ষণ স্থাপনায় “বিধ্বংসী” ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।

“আলতা আর্মামেন্টস ইন্ডাস্ট্রিজ” ইসরাইলের এয়ারস্পেস ইন্ডাস্ট্রির একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান, যা ইলেকট্রনিক যুদ্ধ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে অত্যন্ত উন্নত ও গুরুত্বপূর্ণ। তারা বিভিন্ন ধরনের ফেজড অ্যারে রাডার, আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা, আকাশভিত্তিক ও স্যাটেলাইট নেভিগেশন ও পর্যবেক্ষণ সরঞ্জাম তৈরি করে।

বিবৃতিতে দাবি করা হয়, এই কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করার ইসরাইলের সক্ষমতা সরাসরি কমে যাবে এবং তাদের ইলেকট্রনিক যুদ্ধ সহায়তা কার্যক্রম দুর্বল হবে। একই সঙ্গে এটি শত্রু ভূখণ্ডের গভীরে দীর্ঘপাল্লার অভিযানে ইরানি বাহিনীর সক্ষমতা বাড়াবে।

তেল আবিবের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরের জ্বালানি সংরক্ষণ কেন্দ্রগুলো, যেগুলো সাম্প্রতিক দিনগুলোতে বারবার ইরানি ড্রোন হামলার লক্ষ্য হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ বিমান হামলায় সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

ইরানের হামলার ফলে যুদ্ধবিমানগুলোতে জ্বালানি ভরার কাজে গুরুতর সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

শুক্রবার ইরানি সেনাবাহিনী আরও জানায়, তারা “ইউনিট ৬৯০০” নামে একটি স্থাপনায় ড্রোন হামলা চালিয়েছে, যা ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর একটি গুরুত্বপূর্ণ লজিস্টিক ও সহায়তা কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত এবং বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে সামরিক বাহিনীর সমাবেশস্থল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, সর্বশেষ ড্রোন হামলার লক্ষ্য ছিল ইসরাইলের বিশেষায়িত বাহিনীকে ক্ষতিগ্রস্ত করা এবং তাদের লজিস্টিক সুবিধাগুলো ব্যাহত করা।

বিভি/টিটি

মন্তব্য করুন:

সর্বাধিক পঠিত