• NEWS PORTAL

  • বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ঐতিহাসিক বৈঠক শনিবার, ফের যুদ্ধ নাকী শান্তি?

প্রকাশিত: ১৬:৫১, ৯ এপ্রিল ২০২৬

আপডেট: ১৬:৫৫, ৯ এপ্রিল ২০২৬

ফন্ট সাইজ
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ঐতিহাসিক বৈঠক শনিবার, ফের যুদ্ধ নাকী শান্তি?

প্রতীকী ছবি

ইরানে ইসলামি বিপ্লবের পর প্রথমবারের মতো ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের আলোচনা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে শনিবার (১১ এপ্রিল)। শান্তি আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে নেতৃত্ব দেবেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। আর ইরানি প্রতিনিধি দলে নেতৃত্ব দেবেন দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বুধবার এ তথ্য নিশ্চিত করেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, ১৯৭৯ সালের পর এটিই হতে যাচ্ছে দুই দেশের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও উচ্চপর্যায়ের বৈঠক। বিশেষ করে যুদ্ধবিরতি আলোচনা যখন এক সংকটময় পর্যায়ে দাঁড়িয়ে, তখন এই বৈঠককে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই আলোচনার ব্যর্থতা নতুন করে যুদ্ধের আশঙ্কা বাড়িয়ে দিতে পারে।

এদিকে হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্টে এক বক্তব্যে জেডি ভ্যান্স বলেন, সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে দ্রুত অগ্রগতি চান। তবে তিনি সতর্ক করে দেন, ইরান যদি আন্তরিকভাবে আলোচনায় অংশ না নেয়, তাহলে তারা বুঝতে পারবে ট্রাম্প ‘সহজে ছাড় দেওয়ার মানুষ নন। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, আলোচনায় ট্রাম্পের উপদেষ্টা ও জামাতা জ্যারেড কুশনার এবং বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফও উপস্থিত থাকতে পারেন।

অন্যদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, ইসরাইলের সাম্প্রতিক বিমান হামলায় তেহরান ক্ষুব্ধ। ইরানের দাবি, লেবাননে ইসরাইলের হামলা যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ইঙ্গিত দিয়েছেন, হামলা অব্যাহত থাকলে তেহরান যুদ্ধবিরতি থেকে সরে যেতে পারে। তিনি সামাজিক মাধ্যমে লেখেন, যুক্তরাষ্ট্রকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে—যুদ্ধবিরতি বজায় রাখবে নাকি ইসরাইলের মাধ্যমে যুদ্ধ চালিয়ে যাবে।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেছেন, লেবাননে হামলার ঘটনায় আলোচনা এখনই ভেস্তে যাবে বলে তারা মনে করছেন না। হোয়াইট হাউস স্পষ্ট করেছে, লেবানন যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ নয়। সূত্র: এপি, বিবিসি

বিভি/এমআর

মন্তব্য করুন:

সর্বাধিক পঠিত