• NEWS PORTAL

  • মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গ্রিনল্যান্ডে নতুন ২টি সামরিক ঘাঁটি করবে যুক্তরাষ্ট্র  

প্রকাশিত: ১৩:১৩, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফন্ট সাইজ
গ্রিনল্যান্ডে নতুন ২টি সামরিক ঘাঁটি করবে যুক্তরাষ্ট্র  

গ্রিনল্যান্ডে নতুন দুইটি সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। সংশ্লিষ্ট তিন ব্যক্তি বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছে। 

সূত্রগুলো জানায়, দক্ষিণ গ্রিনল্যান্ডের নারসারসুয়াকে পুরোনো ‘ব্লুই ওয়েস্ট ওয়ান’ ঘাঁটি পুনরায় চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। ১৯৫০-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্র ঘাঁটিটি বন্ধ করে দেওয়ার পর ওই এলাকার জনসংখ্যা কমে এখন কয়েক ডজনে নেমে এসেছে।

অন্য ঘাঁটিটি হবে পূর্ব উপকূলের মেস্টারসভিগে। বর্তমানে সেখানে ডেনমার্কের বিশেষ বাহিনীর ইউনিট ‘সিরিয়াস ডগ স্লেজ প্যাট্রোল’ টহল পরিচালনা করে।

ডেনমার্ক, গ্রিনল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্র মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টায় নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে নতুন চুক্তিতে সই করতে পারে। তবে চুক্তির পূর্ণাঙ্গ খসড়া এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

বিষয়টি সম্পর্কে অবগত তিনজন রয়টার্সকে বলেছেন, চুক্তির বিস্তারিতও সইয়ের আগে পর্যন্ত চূড়ান্ত নাও হতে পারে। তবে এ বিষয়ে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের সরকার তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

হোয়াইট হাউসও চুক্তির বিস্তারিত জানাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। এক মুখপাত্র এর আগে দেওয়া বিবৃতির পুনরাবৃত্তি করে বলেছেন, চুক্তিটি গ্রিনল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা সুরক্ষা ও প্রতিরক্ষয নিশ্চিত করবে।

ডেনমার্ক বলছে, নতুন চুক্তির মাধ্যমে আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা ন্যাটোর নজরদারির আওতায় থাকবে। অর্থাৎ নিরাপত্তা ব্যবস্থা শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্কের ওপর নির্ভর করবে না।

চুক্তিটি এমন এক সময়ে হচ্ছে, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরে গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্রের হাতে নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে আসছেন। বিভিন্ন সময়ে তিনি গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণে সামরিক বা অর্থনৈতিক শক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনাও নাকচ করেননি।

ট্রাম্পের এ অবস্থান গ্রিনল্যান্ডের বিপুলসংখ্যক বাসিন্দার বিরোধিতার মুখে পড়েছে। জনমত জরিপেও গ্রিনল্যান্ডের জনগণের বড় অংশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার বিরোধিতা করেছে।

ট্রাম্পের হুমকি গত জানুয়ারিতে তীব্র আকার ধারণ করলে ন্যাটোর ভেতরেও কূটনৈতিক সংকট তৈরি হয়। এরপর ওয়াশিংটনের সঙ্গে উত্তেজনা কমাতে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড আলোচনা শুরু করে।

স্নায়ুযুদ্ধের সময় গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের ১৭টি সামরিক স্থাপনা এবং ১০ হাজারের বেশি সেনা ছিল। বর্তমানে সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের একমাত্র সামরিক ঘাঁটি হিসেবে পিটুফিক স্পেস বেস রয়েছে। সেখানে প্রায় ১৫০ মার্কিন সামরিক সদস্য অবস্থান করছেন।

সূত্র : রয়টার্স

বিভি/এসজি

মন্তব্য করুন: