২০৩০ সালের মধ্যে ১৫০টি গ্যাস কূপ খননের টার্গেট সরকারের
২০৩০ সালের মধ্যে ১৫০টি গ্যাস কূপ খননের টার্গেট নিয়েছে সরকার। একে উচ্চাভিলাষী বললেও দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানের বিকল্প নেই, বলছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, নিজস্ব গ্যাস-কয়লা উত্তোলন ও আমদানির সংমিশ্রনে চাহিদা পূরণ করতে হবে সরকারকে। বলেন, গভীর সমুদ্রে বিদেশি কোম্পানিকে আমন্ত্রণ জানাতে প্রয়োজনে উৎপাদন-বন্টন চুক্তি-পিএসসিতে পরিবর্তন আনতে হবে।
মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা দেশের আমদানি নির্ভর জ্বালানি খাতকে ফেলেছে সঙ্কটে। বর্তমান সরকারের মেয়াদে এরইমধ্যে দু'দফায় বাড়ানো হয়েছে জ্বালানি তেলের দাম। এলএনজি আমদানি করে চাপ তৈরি করা হয়েছে কেন্দ্রীয় কোষাগারের ওপর।
জ্বালানি খাতে প্রাথমিক ধাক্কা সামলে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে সরকার। এরইমধ্যে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানে পরিকল্পনাও নেয়া হয়েছে। এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সব জটিলতা দূর করার তাগিদ বিশেষজ্ঞদের।
চাহিদার জোগান দিতে এখনই আমদানি নির্ভরতা থেকে বের হতে পারছে না সরকার। তাই বিশ্লেষকরা গুরুত্ব দিচ্ছেন দীর্ঘমেয়াদে বহুমাত্রিক জ্বালানি উৎসের দিকে।
বর্তমান সরকারের জন্য সুখবর হলো, তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৮ নম্বর কূপ থেকে নতুন করে প্রতিদিন ১২মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হচ্ছে জাতীয় গ্রীডে।
বিভি/এজেড













মন্তব্য করুন: