গুজব-অপতথ্য নিয়ে সরকারের নতুন বার্তা, যা বললেন তথ্য উপদেষ্টা
সঠিক সময়ে সঠিক তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পারলে অনেক ক্ষেত্রেই গুজব ও অপতথ্য ছড়ানো রোধ করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের তথ্য পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। একই সঙ্গে তথ্য কমিশনকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) তথ্য অধিকার দিবস উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের তথ্য কমিশন মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা বলেন, জনগণের তথ্য পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সঠিক সময়ে প্রয়োজনীয় তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া গেলে গুজব ও অপতথ্যের বিস্তার অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
এ সময় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, যে তথ্য গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও দেশের সার্বভৌমত্বকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে, সেটিই মূলত অপতথ্য। তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করার পাশাপাশি অপতথ্য মোকাবিলায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে ইয়াসের খান চৌধুরী আরও বলেন, অপতথ্য, গুজব ও মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে গত ১৭ বছর ক্ষমতা কুক্ষিগত করার চেষ্টা করেছিল আওয়ামী লীগ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজুর রহমান বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং নারী ও শিশুর মর্যাদা সুরক্ষায় অপতথ্য বন্ধ করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে সাইবার সুরক্ষা আইন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বক্তারা বলেন, বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে দ্রুত তথ্য ছড়িয়ে পড়ছে। ফলে সত্য তথ্যের পাশাপাশি গুজব, মিথ্যা তথ্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্যও দ্রুত মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। এ ধরনের অপতথ্য সামাজিক স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হলে বাংলাদেশ গণতন্ত্রের পথে আরও এগিয়ে যাবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া বক্তারা।
বিভি/পিএইচ













মন্তব্য করুন: