পরিবেশবিষয়ক প্রতিবেদনের জন্য সম্মাননা পেলেন সাংবাদিক তৌহিদ
পরিবেশবিষয়ক সাংবাদিকতায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দৈনিক নয়া দিগন্তের সাংবাদিক ইকবাল মজুমদার তৌহিদকে সম্মাননা দিয়েছে সেন্টার ফর গ্লোবাল এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (সিজিইডি)। বিশেষ করে রাজধানীর নদী ও সংযোগ খাল হারিয়ে যাওয়ার বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য তাকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।
শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর জাপান সিটি গার্ডেনে সিজিইডির কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক ড. মো. আবদুল ওয়াহাব তার হাতে এ সম্মাননা তুলে দেন।
‘ঢাকা হারিয়েছে সাতটি নদী ও ১৭টি সংযোগ খাল’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনের জন্য ইকবাল মজুমদার তৌহিদকে এ স্বীকৃতি দেওয়া হয়। প্রতিবেদনে রাজধানীর নদী ও সংযোগ খালগুলোর হারিয়ে যাওয়া এবং নগরীর জলাধারগুলোর অস্তিত্ব নিয়ে উদ্বেগের বিষয়টি তুলে ধরা হয়।
সিজিইডি গ্রিন জার্নালিজম রিকগনিশন অ্যাওয়ার্ড শীর্ষক এ সম্মাননার মাধ্যমে পরিবেশবিষয়ক সাংবাদিকতায় তৌহিদের অবদান এবং নদী, খাল ও অন্যান্য জলাধার সংরক্ষণে জনসচেতনতা তৈরির প্রচেষ্টাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
সম্মাননা স্মারকের পাশাপাশি সিজিইডির পক্ষ থেকে তাকে একটি সনদও দেওয়া হয়। এতে পরিবেশগত সমস্যা নিয়ে তার সাংবাদিকতামূলক কাজ এবং জনসচেতনতা তৈরিতে এর ভূমিকার স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
সিজিইডি জানিয়েছে, পরিবেশগত চ্যালেঞ্জগুলো জনসমক্ষে তুলে ধরে এবং পরিবেশ সংরক্ষণে সচেতনতা বাড়ায়—এমন সাংবাদিকতাকে তারা গুরুত্ব দেয়। এ ধরনের প্রতিবেদন প্রকাশ অব্যাহত রাখতেও সাংবাদিকদের উৎসাহিত করে সংগঠনটি।
সেন্টার ফর গ্লোবাল এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (সিজিইডি) পরিবেশ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে অভিযোজন ও এর প্রভাব প্রশমন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং কমিউনিটি উন্নয়ন নিয়ে কাজ করে।
শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও সম্পদ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে মানবসম্পদের সক্ষমতা বৃদ্ধি, দারিদ্র্য হ্রাস এবং ভারসাম্যপূর্ণ পরিবেশ প্রতিষ্ঠা করাও সংগঠনটির বৃহত্তর লক্ষ্য। পাশাপাশি প্রাকৃতিক সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কাজ করে সিজিইডি।
পরিবেশের অবক্ষয় এবং প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে জনসচেতনতা তৈরিতে ভূমিকা রাখা সাংবাদিকদের উৎসাহিত করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।
বিভি/জোহা













মন্তব্য করুন: