• NEWS PORTAL

  • শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মায়ের হৃদয়স্পর্শী আকুতিও ফেরাতে পারলো না একমাত্র ছেলেকে, কী ঘটেছিলো?

প্রকাশিত: ১৮:০৯, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আপডেট: ১৮:১০, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফন্ট সাইজ
মায়ের হৃদয়স্পর্শী আকুতিও ফেরাতে পারলো না একমাত্র ছেলেকে, কী ঘটেছিলো?

‘আপনাদের কাছে হাতজোড় করছি, আমার ছেলেকে বাঁচান।’ সন্তানকে ফিরে পাওয়ার আকুতি জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমনই হৃদয়স্পর্শী আবেদন করেছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা নাহিদ। কিন্তু মায়ের সেই আকুতি শেষ পর্যন্ত আর্তনাদে পরিণত হয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর মিলেছে ১৩ বছর বয়সী অপ্রতীমের মরদেহ।

অপ্রতীম সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হয় অপ্রতীম। এরপর থেকেই তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও ছেলেকে না পেয়ে দিশেহারা হয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সহযোগিতা চান তার মা।

শুক্রবার ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে ড. নাহিদা লিখেছিলেন, ‘আমার ছেলেকে আমি বিকেল তিনটা থেকে খুঁজে পাচ্ছি না। আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে গিয়ে আর ফিরে আসেনি। ওর নাম অপ্রতীম। বয়স ১৩, ক্লাস সেভেনে পড়ে। হারানোর সময় পরনের এই পাঞ্জাবিটা ছিল গায়ে।’

সন্তানকে ফিরে পাওয়ার আশায় সবার কাছে সহযোগিতা চেয়ে তিনি আরও লিখেছিলেন, ‘আপনারা যে যেখান থেকে পারেন সহায়তা করেন। আপনাদের কাছে হাতজোড় করছি, আমার ছেলেকে বাঁচান।’

কিন্তু সেই আকুতি আর অপ্রতীমকে ফিরিয়ে আনতে পারেনি।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছের ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কের পেছনের একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানা গেছে।

ঘটনার পর অপ্রতীমের মৃত্যুর ঘটনায় তুহিন নামের একজনকে সন্দেহজনকভাবে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কোটবাড়ি থানার ইন্সপেক্টর মহিবুল আলম ভূঁইয়া।

পুলিশ জানিয়েছে, অপ্রতীমের মৃত্যুর ঘটনায় তুহিনকে সন্দেহজনকভাবে আটক করা হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ ও এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা তদন্তের মাধ্যমে বের করার চেষ্টা চলছে।

তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্‌ঘাটন এবং দায়ীদের আইনের আওতায় আনার অপেক্ষায় এখন অপ্রতীমের পরিবার।

বিভি/পিএইচ

মন্তব্য করুন: