• NEWS PORTAL

  • রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬

শ্রমিক অসন্তোষ: গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় বিজিবি মোতায়েন

প্রকাশিত: ১০:৫১, ১ নভেম্বর ২০২৬

ফন্ট সাইজ
শ্রমিক অসন্তোষ: গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় বিজিবি মোতায়েন

শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধি ও অন্যান্য দাবিতে চলমান অসন্তোষের মধ্যে গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে। জেলার চন্দ্রা ও পল্লী বিদ্যুৎ এলাকা, সফিপুর, কোনাবাড়ী, মৌচাক, নাওজোড় ও ভোগড়া বাইপাস এলাকায় বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা-পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ ও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এর পরিপ্রেক্ষিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধি ও অন্যান্য দাবিতে চলমান অসন্তোষের মধ্যে গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে। জেলার চন্দ্রা ও পল্লী বিদ্যুৎ এলাকা, সফিপুর, কোনাবাড়ী, মৌচাক, নাওজোড় ও ভোগড়া বাইপাস এলাকায় বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন।

রবিবার (১ নভেম্বর) সকালে গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন বিজিবি মোতায়েনের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, শিল্প পুলিশকে সহযোগিতা এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। আপাতত পাঁচ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন রয়েছে। প্রয়োজনে সদস্যসংখ্যা বাড়ানো হতে পারে। আগামী ৭ নভেম্বর পর্যন্ত বিজিবি মোতায়েন রাখার কথা রয়েছে।

এর আগে শনিবার (৩১ অক্টোবর) গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে পোশাকশ্রমিকেরা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। পরে আশপাশের বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকেরাও আন্দোলনে যোগ দেন। এতে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।

বিকেলে শ্রমিকদের সড়ক থেকে সরানোর চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়। এ সময় পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। সংঘর্ষে শ্রমিক ও পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন এবং ১৫টি যানবাহন ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে বলে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আশপাশের বেশ কয়েকটি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়।

উল্লেখ্য, শিল্পাঞ্চলে শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধির দাবিতে গত দুই সপ্তাহ ধরে বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ চলছে। শ্রমিকদের দাবি, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়লেও তাদের আয় সংসার চালানোর জন্য যথেষ্ট নয়। এ পরিস্থিতিতে সরকার নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। তবে বিভিন্ন কারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ অব্যাহত রয়েছে।

বিভি/পিএইচ

মন্তব্য করুন: