• NEWS PORTAL

  • শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বর্ণিল আয়োজনে মহালছড়ি সম্প্রীতি কাপের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২০:১১, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফন্ট সাইজ
বর্ণিল আয়োজনে মহালছড়ি সম্প্রীতি কাপের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

বর্ণিল আয়োজন, উৎসবমুখর পরিবেশ আর পাহাড়ের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের রঙিন উপস্থিতিতে শেষ হয়েছে ‘মহালছড়ি সম্প্রীতি কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬’। ফাইনাল ম্যাচকে ঘিরে মহালছড়ি স্টেডিয়াম পরিণত হয় উৎসবের মিলনমেলায়। খেলাধুলার পাশাপাশি সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও পরিবেশ সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দিতে দর্শকদের হাতে তুলে দেওয়া হয় গাছের চারা।

ফাইনালে মুখোমুখি হয় মহালছড়ি অর্নিবান ক্লাব ও মাইসছড়ি চৌধুরী পাড়া একাদশ। শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে দুই দলের খেলোয়াড়রা মাঠে প্রাণপণ লড়াই করেন। টানটান উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচ উপভোগ করতে মাঠে উপস্থিত ছিলেন বিপুলসংখ্যক দর্শক। শেষ পর্যন্ত মাইসছড়ি চৌধুরী পাড়া একাদশকে ৩-১ গোলে হারিয়ে শিরোপা জিতে নেয় মহালছড়ি অর্নিবান ক্লাব।

টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই খেলাধুলার পাশাপাশি সামাজিক সম্প্রীতি, পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও পরিবেশ সচেতনতার বার্তা তুলে ধরা হয়। এর অংশ হিসেবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় মহালছড়ি জোনের পক্ষ থেকে টুর্নামেন্টে উপস্থিত দর্শকদের হাতে একটি করে গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়। আয়োজকদের দাবি, পুরো টুর্নামেন্টে সর্বমোট ২৫ হাজার গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।

ফাইনাল খেলা শেষে বিজয়ী মহালছড়ি অর্নিবান ক্লাব ও রানার্সআপ মাইসছড়ি চৌধুরী পাড়া একাদশের হাতে ট্রফি ও পুরস্কার তুলে দেন মহালছড়ি জোনের জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আল জাবির আসিফ। এ সময় আয়োজক, ক্রীড়াপ্রেমী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বিপুলসংখ্যক দর্শক উপস্থিত ছিলেন।

পুরস্কার বিতরণ শেষে জোন অধিনায়ক বলেন, খেলাধুলার মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখা, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি বৃদ্ধি এবং পরিবেশের প্রতি মানুষের দায়িত্ববোধ জাগ্রত করাই ছিল এই আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য।

তিনি বলেন, ‘মহালছড়ি জোন এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে সেই সম্প্রীতির প্রতিফলন ঘটিয়েছে। ফাইনাল ম্যাচে আমরা পাঁচ হাজার চারা বিতরণ করেছি। সব মিলিয়ে পুরো টুর্নামেন্টে ২৫ হাজার চারা খেলোয়াড় ও দর্শকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।’

স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীরা মনে করছেন, মহালছড়ির ইতিহাসে এই টুর্নামেন্ট শুধু একটি ফুটবল প্রতিযোগিতা নয়; বরং পাহাড়ের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের অংশগ্রহণে এটি সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের এক মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে।

বিভি/পিএইচ

মন্তব্য করুন:

সর্বাধিক পঠিত