• NEWS PORTAL

  • সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬

হামজাদের অনুপ্রেরণা জোগাতে ‘দুই চ্যাম্পিয়ন দলের’ প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত: ২২:৫২, ১ নভেম্বর ২০২৬

আপডেট: ২২:৫২, ১ নভেম্বর ২০২৬

ফন্ট সাইজ
হামজাদের অনুপ্রেরণা জোগাতে ‘দুই চ্যাম্পিয়ন দলের’ প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত

জাতীয় স্টেডিয়ামে বসেছিল বাংলাদেশ ফুটবলের সোনালি দুই অধ্যায়ের তারকাদের মিলনমেলা। ২০০৩ সালের সাফ ও ২০১০ সালের এসএ গেমসজয়ী দলের তারকা ফুটবলারদের অংশগ্রহণে মুখরিত হয়ে ওঠে স্টেডিয়ামের আঙিনা। পুরনো সাফল্যের স্মৃতিচারণের পাশাপাশি বর্তমান জাতীয় দলকে অনুপ্রেরণা জোগাতেই এই বিশেষ আয়োজন করা হয়।

রবিবার (১ নভেম্বর) বিকাল পাঁচটা থেকে সাবেক ফুটবলারদের পদচারণায় প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে জাতীয় স্টেডিয়াম। প্রীতি ম্যাচে দুই দলের হয়ে মাঠে নামেন দেশের ফুটবলের ইতিহাসের দিকপালেরা। ২০০৩ সালের সাফজয়ী দলের নিয়মিত অধিনায়ক রজনী কান্ত বর্মণ অসুস্থতার কারণে উপস্থিত থাকতে না পারায়, আর্মব্যান্ড পরেছিলেন স্ট্রাইকার আলফাজ আহমেদ এবং তিনি ম্যাচে একটি গোলও করেন। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক ২০১০ সালে এসএ গেমসে স্বর্ণজয়ী ফুটবল দলের অধিনায়ক ছিলেন। সেই সঙ্গে ছিলেন ২০০৩ সাফ চ্যাম্পিয়ন দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। তাই দুই অর্ধে দুদলের হয়ে খেলেছেন তিনি। মিঠুন ও নাসিরের গোলে শেষ পর্যন্ত ২০১০ এসএ গেমস দল বিজয়ী হয়। গরম ও ফ্লাডলাইটের আলোয় সাবেক খেলোয়াড়রা খানিকটা হাঁপিয়ে উঠলেও তাদের পাস ও শুটিংয়ে পুরোনো দক্ষতার ছাপ ঠিকই ফুটিয়ে তোলেন।

প্রীতি ম্যাচটিতে অংশ নেন দেশের ফুটবলের অন্যতম সেরা মিডফিল্ডার আরমান মিয়া, সাবেক অধিনায়ক মামুনুল ইসলামসহ বহু সাবেক তারকা ও সংগঠক। ম্যাচ শেষে মামুনুল ইসলাম বলেন, "আরমান ভাই, আলফাজ ভাইদের খেলা দেখে বড় হয়েছি। তাদের সঙ্গে আবার খেলতে পারলাম, এটা বিশাল একটা ব্যাপার। বর্তমান দল এই ম্যাচ দেখলে উদ্দীপ্ত হতে পারত।"

অনুষ্ঠানে সাবেক তারকারা বর্তমান জামাল ভূঁইয়াদের প্রতি নিজেদের প্রত্যাশার কথা জানান। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, "আজ জয়-পরাজয় বড় কথা নয়, আমরা সবাই একত্রে হয়ে সেই স্মৃতিগুলো ফিরে পেয়েছি। আশা করি, আমাদের বর্তমান দলও সেই কমিটমেন্ট বজায় রেখে দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা সাফ শিরোপা উপহার দেবে।"

আসন্ন সাফে গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ভুটান ও শ্রীলঙ্কা। দলীয় প্রস্তুতি ও লক্ষ্য নিয়ে আমিনুল হক বলেন, "আমাদের দলে হামজা চৌধুরী ও শমিত সোমসহ আরও অনেকে রয়েছেন। চ্যাম্পিয়ন হতে হলে ফাইনাল খেলতে হবে এবং ফাইনালে প্রতিপক্ষকে হারাতে হবে। তাই প্রতিপক্ষ কে, সেটার বিচার না করে বাংলাদেশকে প্রতিটি ম্যাচেই সেরা পারফরম্যান্স দিতে হবে।" ২০০৩ সালের ফাইনালে বাংলাদেশের অধিনায়ক এবং বর্তমান সাফ বাংলাদেশ কোচিং স্টাফের সদস্য হাসান আল মামুন বলেন, "২০০৩ সালের সাফের ট্রফি আমিই প্রথম স্পর্শ করি। অধিনায়ক এবং খেলোয়াড় হিসেবে সাফ জিতেছি। কোচ হিসেবেও সাফ জয়ের অংশ হতে পারলে তা হবে দারুণ একটি অভিজ্ঞতা।"

বিভি/একেএম/টিটি

মন্তব্য করুন:

সর্বাধিক পঠিত