ট্রাইব্যুনালে সশরীরে হাজির করা হয়নি জিয়াউল আহসানকে, জানা গেল কারণ
ফাইল ছবি
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত গুম ও খুনের ঘটনায় করা মামলায় নিরাপত্তাজনিত কারণে সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের সাক্ষ্যগ্রহণ ও বিচারিক কার্যক্রম ভার্চুয়ালি পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ কারণে মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) তাকে সশরীরে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়নি।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ট্রাইব্যুনালে জিয়াউল আহসানের সশরীরে হাজির হওয়ার কথা ছিল। তবে তার নিরাপত্তাঝুঁকি বিবেচনায় তাকে হাজির করা হয়নি। এখন থেকে তাকে কারাগারে রেখেই ভার্চুয়ালি বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা করার কথা রয়েছে।
এ পর্যন্ত জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে ১৫ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। তাদের মধ্যে সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়াসহ সামরিক বাহিনীর কয়েকজন কর্মকর্তা রয়েছেন।
জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগে বিচার চলছে। প্রথম অভিযোগে, ২০১১ সালের ১১ জুলাই গাজীপুরে তিনজনকে হত্যার কথা বলা হয়েছে। দ্বিতীয় অভিযোগে, ২০১০ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত বরগুনায় ৫০ জনকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। তৃতীয় অভিযোগে বলেশ্বর নদীতে ৫০ জনকে হত্যা করে তাদের মরদেহ ভাসিয়ে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
বিভি/পিএইচ













মন্তব্য করুন: