• NEWS PORTAL

  • সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

গ্রামীণ কল্যাণের ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

প্রকাশিত: ১৬:৪৬, ১২ অক্টোবর ২০২৬

ফন্ট সাইজ
গ্রামীণ কল্যাণের ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

পাঁচ করবর্ষের বিপরীতে ৬৬৬ কোটি টাকার বেশি কর প্রদেয় সংক্রান্ত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবির বৈধতা নিয়ে গ্রামীণ কল্যাণের করা পৃথক রিট খারিজ করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়েছে। 

সোমবার (১২ অক্টোবর) দুটি মামলায় একটি ১৫ পৃষ্ঠা এবং অপরটি ৩২ পৃষ্ঠার রায় সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।

দুটি রায়ই লেখেন বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া এবং তার সঙ্গে একমত পোষণ করেন বেঞ্চের কনিষ্ঠ বিচারপতি রেজাউল করিম। এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর এই দুই বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গ্রামীণ কল্যাণের রুল দুটি খারিজ করে রায় দেয়। রায়ে আয়কর বাবদ ৬৬৬ কোটি টাকা পুনর্নির্ধারণ করে এনবিআরের আদেশের বিরুদ্ধে গ্রামীণ কল্যাণের করা পৃথক রিট খারিজ করা হয়।

মামলার বিবরণে জানা যায়, পুনর্মূল্যায়নের পর ২০১২-১৩, ২০১৩-১৪, ২০১৪-১৫, ২০১৫-১৬ ও ২০১৬-১৭ করবর্ষের জন্য গ্রামীণ কল্যাণের কাছে কর বাবদ ৬৬৬ কোটি টাকার বেশি প্রদেয় অর্থের দাবি জানায় এনবিআর। এ দাবির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০১৭ সালে পৃথক দুটি রিট করেছিল গ্রামীণ কল্যাণ। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আদালত রুল জারি করলেও পরে হাইকোর্টে সেই রুল খারিজ (ডিসচার্জ) করা হয়।

এর আগে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্টের অপর একটি বেঞ্চ এ বিষয়ে দায়ের করা রিট খারিজ করেছিল। তবে পরবর্তীতে ওই রায় প্রত্যাহার করে নেয় হাইকোর্টের একই বেঞ্চ। কারণ হিসেবে বলা হয়, বেঞ্চের কনিষ্ঠ বিচারক একসময় এসব মামলায় সরকারের পক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এ কারণে রায় প্রত্যাহার করে মামলার নথি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হয়। এরপর মামলাগুলো শুনানির জন্য নতুন বেঞ্চে পাঠানো হয়েছিল।

সর্বশেষ হাইকোর্টের দেওয়া রায় স্থগিত চেয়ে গ্রামীণ কল্যাণের করা পৃথক আবেদন গত ১৪ সেপ্টেম্বর কার্যতালিকা থেকে বাদ দেয় আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। প্রসঙ্গত, গ্রামীণ কল্যাণের চেয়ারম্যান ছিলেন মুহাম্মদ ইউনূস। তবে জানা গেছে, তিনি ২০২৪ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে যুক্ত নন।

বিভি/বিএস/এজেড

মন্তব্য করুন:

সর্বাধিক পঠিত