মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে ফাঁসলেন নারী, ১৮ বছর পর কারাদণ্ডাদেশ
মিথ্যা ধর্ষণ মামলা দিয়ে এক ব্যক্তিকে কারাভোগ করানোর দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকালে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন।
ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা।
আদালত ও মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। ওই মামলায় তিনি নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে তিনি প্রায় দুই মাস কারাগারে ছিলেন।
লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর পিতৃত্ব নির্ধারণের জন্য ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় কামাল উদ্দিন শিশুটির জৈবিক পিতা নন বলে উল্লেখ করা হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত তাকে ধর্ষণের অভিযোগ থেকে খালাস দেন।
পরবর্তীকালে মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে কারাভোগ করানোর প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা দায়ের করেন কামাল উদ্দিন।
সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত আজ লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন।
বিভি/টিটি













মন্তব্য করুন: