• NEWS PORTAL

  • সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রীর ৭ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ, দেখালো যেসব কারণ

প্রকাশিত: ১৫:৩২, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আপডেট: ১৫:৩৩, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফন্ট সাইজ
গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রীর ৭ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ, দেখালো যেসব কারণ

রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় দায়ের করা আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় গ্রেপ্তার সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেছে পুলিশ।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামসুজ্জোহা সরকার আদালতে এ আবেদন করেন।

রিমান্ড আবেদনে পাঁচটি কারণ উল্লেখ করেছে পুলিশ। এর মধ্যে রয়েছে—

>মরিয়ম যখন ফাঁস দিয়ে মারা যান, তখন গাজী নজরুল ও মাকসুদা একই বাসায় ছিলেন। আত্মহত্যার ঘটনায় তাদের কোনো প্রভাব ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।
>মরিয়মকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা, উসকানি, মানসিক চাপ বা ভয়ভীতি দেখানো কিংবা অন্য কোনোভাবে আত্মহত্যায় সহায়তা করার ক্ষেত্রে তাদের ভূমিকা তদন্ত করা।
>মামলার পলাতক আসামি ওবায়দুর রহমানের ভূমিকা সম্পর্কে তথ্য নেওয়া এবং তার অবস্থান শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা।
>আত্মহত্যার ঘটনায় অজ্ঞাতনামা অন্য কোনো ব্যক্তি জড়িত কি না, তা শনাক্ত ও জড়িতদের গ্রেপ্তার করা।
>মামলার মূল রহস্য উদঘাটন করা।

এর আগে রবিবার রাজধানীর সংসদ সদস্যদের আবাসিক ভবন (ন্যাম ভবন) এর ৫ নম্বর ভবনের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় মরিয়মের বাবা মো. মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করেন। মামলায় গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগম ও শ্যালক ওবায়দুর রহমানকে আসামি করা হয়েছে।

এর আগে গত জুলাইয়ে মরিয়ম খাতুনের সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।

এরপর ২২ জুলাই গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়, সাংগঠনিক তদন্তে তার ‘নৈতিক স্খলন’ প্রমাণিত হওয়ায় গঠনতন্ত্রের ৬২ নম্বর ধারা অনুযায়ী তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিষয়টি নির্বাচন কমিশনকেও জানানো হয়।

বিভি/এজেড

মন্তব্য করুন: