• NEWS PORTAL

  • শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬

নেপালে তুষারধসে ১৫ পর্বতারোহীর সহকারীর মৃত্যু

প্রকাশিত: ০০:৫৬, ৩ অক্টোবর ২০২৬

ফন্ট সাইজ
নেপালে তুষারধসে ১৫ পর্বতারোহীর সহকারীর মৃত্যু

নেপালের হিমলুং শিখরের বেস ক্যাম্পে তুষারধসে অন্তত ১৫ জন নেপালি পর্বতারোহী সহকারীর মৃত্যু হয়েছে। তুষারের নিচে চাপা পড়া ক্যাম্প থেকে বৃহস্পতিবার আরও আটজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে উদ্ধারকারী দল।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) রয়টার্সকে এ তথ্য জানান নেপাল ন্যাশনাল মাউন্টেন গাইড অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি তুল সিং গুরুং।

তিনি জানান, গত রবিবার ভোরে চীন সীমান্তের কাছাকাছি ৭ হাজার ১২৬ মিটার (২৩ হাজার ৩৩৫ ফুট) উচ্চতার হিমলুং শিখরের বেস ক্যাম্পে তুষারধস নামে। ওই সময় পরবর্তী অভিযানের প্রস্তুতি হিসেবে ক্যাম্পে তাঁবু স্থাপন ও রশি লাগানোর কাজ করছিলেন নেপালি কর্মীরা।

উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলো হেলিকপ্টারে করে কাঠমান্ডুতে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তুল সিং গুরুং। তুষারের নিচে এখনও একজন কর্মী নিখোঁজ রয়েছেন। তবে তাকে জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা খুবই কম বলে মনে করছে উদ্ধারকারী দল। এ পরিস্থিতিতে উদ্ধার অভিযানও ধীরে ধীরে শেষ করার প্রস্তুতি চলছে।

তুষারধসের সময় বেস ক্যাম্পে কোনো বিদেশি পর্বতারোহী পৌঁছাননি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

উদ্ধার অভিযানে অভিজ্ঞ গাইডসহ ১১ সদস্যের একটি দল অংশ নেয়। তারা চার মিটারের বেশি গভীর তুষার সরিয়ে ক্যাম্পের তাঁবুগুলোতে আটকে থাকা ব্যক্তিদের সন্ধান চালান। এর আগে রবিবার দুইজন পর্বতারোহী গাইড, সোমবার দুইজন রান্নাঘরের কর্মী এবং মঙ্গলবার আরও তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।

নেপালে এর আগেও বড় ধরনের পর্বতারোহণ দুর্ঘটনা ঘটেছে। ২০১৪ সালে এভারেস্টে তুষারধসে ১৬ জনের মৃত্যু হয়। পরের বছর ২০১৫ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পে এভারেস্টে প্রাণ হারান আরও ১৮ জন।

এদিকে, গত ২৬ আগস্ট পাহাড়ে হিমবাহ ধসে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় নেপালে ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষ মারা যাওয়ার পর এখনও নিখোঁজদের সন্ধান চলছে। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া ভারী বৃষ্টিতে নতুন করে বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ২১ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

বিশ্বের ১৪টি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের আটটিই নেপালে অবস্থিত। দেশটির অর্থনীতিতে পর্বতারোহণ ও ট্রেকিং পর্যটনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ৭ হাজার মিটারের বেশি উচ্চতার শৃঙ্গ জয়ের জন্য হিমলুংও পর্বতারোহীদের কাছে পরিচিত একটি গন্তব্য।

সূত্র: রয়টার্স

বিভি/টিটি

মন্তব্য করুন:

সর্বাধিক পঠিত