• NEWS PORTAL

  • মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬

নোবেলজয়ীদের কালো-সোনালি পোট্রেটের নেপথ্যের গল্প

প্রকাশিত: ১৫:৫৯, ৬ অক্টোবর ২০২৬

ফন্ট সাইজ
নোবেলজয়ীদের কালো-সোনালি পোট্রেটের নেপথ্যের গল্প

ছবি: সংগৃহীত

নোবেল পুরস্কার ঘোষণার সাথে সাথে বিজয়ীদের নামের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে একটি পরিচিত দৃশ্য—কালো রেখায় আঁকা মুখাবয়ব, যার ওপর থাকে ঝকঝকে সোনালি পাতের ছোঁয়া। দেখতে অনেকটা ডিজিটাল ইলাস্ট্রেশনের মতো হলেও এসব ছবি তৈরি হয় হাতে।

নোবেলজয়ীদের এই বিশেষ পোর্ট্রেট এখন পুরস্কারটির নিজস্ব ভিজ্যুয়াল পরিচয়ের অংশ। তবে এর শুরুটা হয়েছিল প্রয়োজন থেকেই। ২০১২ সালে শিল্পী নিকলাস এলমেহেড ‘নোবেল মিডিয়া’র আর্ট ডিরেক্টর হিসেবে যোগ দেওয়ার পর দেখেন, অনেক বিজয়ীরই দ্রুত ব্যবহারের উপযোগী ভালো ছবি অনলাইনে পাওয়া যায় না। অথচ নোবেল পুরস্কারের ঘোষণা বিশ্বজুড়ে তাৎক্ষণিক সংবাদ হয়ে ওঠে।

এই সমস্যার সমাধান হিসেবে এলমেহেড দ্রুত হাতে বিজয়ীদের প্রতিকৃতি আঁকা শুরু করেন। পরে সেই তাৎক্ষণিক উদ্যোগই পরিণত হয় নোবেল পুরস্কারের স্বতন্ত্র ব্র্যান্ডিংয়ে। বিজ্ঞান, সাহিত্য কিংবা অন্য যে ক্ষেত্রেই পুরস্কার দেওয়া হোক, একই ধরনের পোর্ট্রেট বিজয়ীদের একটি অভিন্ন ‘নোবেল পরিবার’-এর অংশ হিসেবে উপস্থাপন করে।

ছবিগুলোর গাঢ় কালো রেখা ছোট স্ক্রিন বা সংবাদমাধ্যমের থাম্বনেলেও সহজে দৃশ্যমান থাকে। আর সোনালি অংশ যুক্ত হয় পরে। ২০১৭ সালে নোবেল ফাউন্ডেশন তাদের ব্র্যান্ড পরিচয়ে পরিবর্তন এনে নোবেল মেডেলের সোনালিকে প্রধান রং হিসেবে নির্ধারণ করে। পরের বছর থেকে এলমেহেড পোর্ট্রেটগুলোতে গোল্ড ফয়েল ব্যবহার শুরু করেন।

এগুলো কোনো এআই-নির্মিত ছবি নয়। শিল্পী কাগজ বা ক্যানভাসে কালো অ্যাক্রিলিক ও মার্কার দিয়ে রেখা আঁকার পর বিশেষ আঠার মাধ্যমে আসল ধাতব সোনার পাত বসান।

একসময় দ্রুত ছবি তৈরির প্রয়োজন থেকে জন্ম নেওয়া এই পদ্ধতিই এখন নোবেল পুরস্কারের অন্যতম ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছে।

বিভি/এমআর

মন্তব্য করুন:

সর্বাধিক পঠিত